Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুরনো বছরকে বিদায়, আর নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া মাঝে, একটা শীতকালীন আবহ (Debleena Dutta)। পুরোপুরি উৎসবের আমেজ। শহর থেকে শুরু করে গ্রামে, নানান ধরনের অনুষ্ঠান জলসার আয়োজন করা হয়। যেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের।
কাজ নেই দেবলীনার (Debleena Dutta)
টানা ২৭ বছর টলিউড (Tollywood) ইন্ডাস্ট্রিতে একটানা কাজ করে যাওয়ার পরেও, ২০২৪-এ শেষ আর ২০২৫ এর শুরুটা একটু ব্যতিক্রমী ভাবে কাটল অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তের (Debleena Dutta)। তাঁর কাছে আসছে না কাজের ফোন। হাতে নতুন কোনও প্রজেক্ট নেই। তবে কি তাঁকে টলিউডে একঘরে করে দেওয়া হল? কিন্তু কারণটা কী? এই বিষয়ে জানতে ট্রাইব টিভির তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল অভিনেত্রী দেবলীনার সঙ্গে। তিনি কী বললেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আন্দোলনে চেনা মুখ দেবলীনা (Debleena Dutta)
আরজি করের ঘটনা পেরিয়েছে পাঁচ মাস হল। এক প্রতিবাদী সভায় দেখা যায় দেবলীনাকে (Debleena Dutta)। তিনি দাবি করেন, কীভাবে অর্গানাইজারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁর কাছে সেই প্রমাণ রয়েছে। আরজিকর কাণ্ডের পর বিভিন্ন আন্দোলনে দেবলীনার মুখ অনেকেরই চেনা। কোনও অনুষ্ঠানে গেলেও তাঁর পোশাকে থাকত ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ব্যাজ।
আরও পড়ুন: Mittir Bari: কাদা মেখে পুরোদমে অ্যাকশন, জোনাকিকে বাঁচাতে কী করবে ধ্রুব?
ভয় পেয়ে কাজ করবেন না
দেবলীনার বক্তব্য “যারা ভয়ে রাজনীতি করছেন, তাদের প্রতি আমার কোনও অভিযোগ নেই। আমার একটা মস্তিষ্ক রয়েছে। যেটা এখনও সম্পূর্ণ ভাবে কাজ করছে । আমি মনে করি, এই ভাবে বাধা দেওয়ার পর যদি মনে হয়, আমি আর উপার্জন করতে পারব না, এটা মানতে নারাজ। আমি ভয় পেয়ে কাজ করব না। আমি প্রয়োজনে অন্য কোনও ভাবে উপার্জন করব। এটা আমার সিদ্ধান্ত কি করব, কি করব না। কন্ডিশন মেনে আমার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়”।
প্রয়োজনে অন্য প্রফেশন বাছবেন
তাহলে দেবলীনা এই মুহূর্তে কোন পেশা বেছে নেবেন? অভিনেত্রীর কথায় তিনি সেই ধরনের ভাবনার মধ্যে এখনও ঢোকেননি। শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, কন্ডিশন মেনে কাজ করতে পারবেন না। প্রয়োজনে অন্য প্রফেশন বাছবেন। এরপর তাঁর ভাবনা তিনি কি করবেন, আর কি করবেন না।
আরও পড়ুন: Arkadeep Mishra Interview: খাদানে গান গেয়ে কলকাতা নয়, মুম্বাইতে থাকছেন অর্ক!
জাস্টিস চেয়েই বিপদে!
দেবলীনার কথায় “আমি শুধু আন্দোলনে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ এই কথাটা বলেছি। এর বাইরে আন্দোলনে আমি একটা কথাও বলিনি। বরং আমাকে যখন বলা হয়েছিল, আপনি কি মাননীয়ার পদত্যাগ চান? তখন আমি বলেছিলাম, না আমি চাই না। পদত্যাগ জাস্টিস পাওয়ার সলিউশন তো নয়। আমি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করেছি, আপনি এই বিষয়টার মধ্যে ঢুকুন। আপনি সাহায্য করুন।
কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা জাস্টিস চাইছে তাদেরকেই বিরোধী বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। এটা তো আমার সমস্যা নয়। আমি জানি আমি বিরোধী পক্ষ নই। আমার শুধু জাস্টিসের জন্য লড়াই। আমার কারোও কাছে কোনও আর্জির প্রয়োজন নেই। জাস্টিস চেয়েই বিপদে আমি। কারণ আমি জাস্টিস ছাড়া আর কিছু চাইনি। এখনও চাই না। যারা এই খুনটার সঙ্গে যুক্ত, সেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হোক এবং শাস্তি দেওয়া হোক। আমি শুধু এইটুকুই চাই”।


