Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট নিয়ে কেন্দ্রের সাম্প্রতিক কড়াকড়ি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে(Deepfake Censor)। সরকার বলছে, ডিপফেকের মতো ভুয়ো ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট রুখতেই এই পদক্ষেপ জরুরি। তবে বিরোধী দল ও ডিজিটাল অধিকারকর্মীরা অভিযোগ তুলছেন, এর আড়ালে বাড়ছে সেন্সরশিপ।
বিপদ বাড়াচ্ছে ডিপফেক (Deepfake Censor)
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিপফেক কনটেন্টের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। তাঁর কথায়, “ডিপফেক এখন সমাজের কাছে বড় বিপদ। এটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সামগ্রিক সামাজিক কাঠামোর উপর প্রভাব ফেলছে।” তিনি আরও জানান, এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিও আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেশি কনটেন্ট সরাচ্ছে।
১২টি অ্যাকাউন্ট ব্লক করার নির্দেশ
তবে এই অভিযানের মাঝেই একাধিক এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ১৮ মার্চ তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারা অনুযায়ী অন্তত ১২টি অ্যাকাউন্ট ব্লক করার নির্দেশ জারি হয়। এর মধ্যে drnimoyadav, Bhavika Kapoor, Ashok Swain, @Nher_who, @ActivistSandeep-সহ আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ফ্যাক্ট-চেকার মোহাম্মদ জুবেরের একটি পোস্টের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কমানো হয়েছে সংবাদমাধ্যম ও স্যাটায়ার পেজ
শুধু এক্স নয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও কিছু সংবাদমাধ্যম ও স্যাটায়ার পেজ যেমন Molitics ও National Dastak—সরকারি নির্দেশে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।
ডিজিটাল সেন্সরশিপের নতুন ধারা
কংগ্রেস এই পদক্ষেপকে “ডিজিটাল সেন্সরশিপের নতুন ধারা” বলে আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, ইউটিউব চ্যানেলের মনিটাইজেশন বন্ধ করা, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যান করা এবং কনটেন্ট সরিয়ে দেওয়া এসবই মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।
স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবি (Deepfake Censor)
ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (IFF) অভিযোগ করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই ব্লকিং অর্ডারে স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয় না এবং তা রাজনৈতিক বা সমালোচনামূলক কনটেন্টকেই লক্ষ্য করছে। তারা স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: Protein Condom: জল্পনায় ইউটিউবার গৌরব তানেজা, প্রোটিন কন্ডোম সত্যি নাকি প্র্যাঙ্ক?
আইটি রুলস সংশোধনের প্রস্তাব (Deepfake Censor)
আইটি রুলস ২০২১ সংশোধনের প্রস্তাবও দিয়েছে কেন্দ্র, যেখানে স্বাধীন সংবাদ নির্মাতাদের ক্ষেত্রেও কনটেন্ট অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। এতে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।



