Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বছরের সবচেয়ে আলোঝলমলে রাত, দীপাবলি (Delhi Air Pollution)। কিন্তু এই উৎসবের সকালেই চরম দূষণের মুখে পড়ল দেশের রাজধানী দিল্লি। রাতভর চলা আতশবাজি ও শব্দবাজির জেরে সোমবার সকালে শহরের বাতাসের গুণমান ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (CPCB)-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দিন সকালে দিল্লির গড় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩৫, যা ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ে পড়ে।
দূষণের ভয়াল ছায়া (Delhi Air Pollution)
তবে এই গড় মান পরিস্থিতির সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না (Delhi Air Pollution)। রাজধানীর বেশ কিছু অংশে AQI ৪০০-র গণ্ডিও ছাড়িয়েছে। আনন্দ বিহারে একিউআই পৌঁছেছে ৪১৪-তে, ওয়াজিরপুরেও ৪০৭। আশপাশের এলাকা-গাজিয়াবাদ, গ্রেটার নয়ডা, ফরিদাবাদ- এমনকি গুরগাঁওতেও একিউআই ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ, গোটা এনসিআর জুড়েই দূষণের ভয়াল ছায়া।
দূষণের সূচক কী বলছে? (Delhi Air Pollution)
বাতাসের গুণমান পরিমাপের স্কেল অনুযায়ী, (Delhi Air Pollution)
- AQI ০–৫০: ‘ভাল’,
- ৫১–১০০: ‘সন্তোষজনক’,
- ১০১–২০০: ‘মাঝারি’,
- ২০১–৩০০: ‘খারাপ’,
- ৩০১–৪০০: ‘খুব খারাপ’,
- ৪০১–৪৫০: ‘ভয়ানক’,
- ৪৫০-এর উপরে: ‘অতি ভয়ানক’।
সেই হিসেবে রাজধানীর একাধিক জায়গায় একিউআই এখন ‘ভয়ানক’ স্তরে রয়েছে। আর এর প্রধান কারণ- দীপাবলির রাতে সীমাহীন বাজি পোড়ানো।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাজি-পোড়ানো (Delhi Air Pollution)
প্রশাসন দূষণ ঠেকাতে আগেই একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিল (Delhi Air Pollution)। শব্দবাজি, উচ্চমাত্রার আতশবাজি বিক্রি, মজুত এবং উৎপাদনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টও এই বিষয়ে সময়সীমা বেঁধে দেয়: ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দিল্লিতে শুধু সবুজ বাজি পোড়ানো যাবে, তাও নির্দিষ্ট সময়ে- সকাল ৬টা থেকে ৭টা ও রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: PM Modi: আইএনএস বিক্রান্তে দীপাবলি, আত্মনির্ভর ভারতের প্রতীক হয়ে উঠছে সশস্ত্র বাহিনী
তবু বাস্তবে সেই নির্দেশিকা কতটা মানা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর চলেছে বাজির উৎসব। এর জেরে সোমবার সকালেই দিল্লির আকাশ ছেয়ে গেছে ধোঁয়ার আস্তরণে।
প্রশাসনের মাথাব্যথা
দীপাবলির পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে- এই আশঙ্কা থেকেই এখনই প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দিল্লিতে বাতাসের গতি কমে যাওয়ায় দূষিত বায়ু জমে থাকছে, ফলে পরিস্থিতি দ্রুত উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই যদি বাজি পোড়ানো এবং যানবাহনের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তবে শিশু এবং বৃদ্ধদের শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত অসুস্থতা আরও বাড়বে।


