Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ এবং লালকেল্লা বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বড় অগ্রগতি। আল ফালাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে ১৩ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির একটি আদালত(Delhi Blast)। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
দিল্লি জুড়ে টানা তল্লাশি (Delhi Blast)
দিল্লি-এনসিআর জুড়ে ১৯টি স্থানে যৌথ তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয় নগদ ৪৮ লক্ষ টাকা। ফারিদাবাদ-ভিত্তিক আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি ও প্রোমোটরদের দফতর ও বাড়ি লক্ষ্য করেই অভিযান চালানো হয়। দিল্লির ওখলা এলাকায় আল ফালাহ ট্রাস্টের দফতর ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি।
সিদ্দিকির পরিবারের ব্যবস্থাপনায় আর্থিক কারচুপি (Delhi Blast)
তদন্তকারীদের দাবি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সিদ্দিকির পরিবারের ব্যবস্থাপনায় আর্থিক কারচুপি চলছিল ববে অভিযোগ। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের মালিকানাধীন সংস্থাগুলোকেই বারবার নির্মাণ ও কেটারিংয়ের চুক্তি দেওয়া হত বলেও দাবি উঠেছে। ইডি আরও জানায়, একটি ঠিকানায় নথিভুক্ত অন্তত ৯টি শেল কোম্পানি পাওয়া গেছে—যা অবৈধ লেনদেন আড়াল করার প্রমাণ(Delhi Blast)।
জালিয়াতির জাল ছড়ায় সিদ্দিকি (Delhi Blast)
দিল্লি পুলিশের এফআইআর বলছে, আল ফালাহ(Al Falah) বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়োভাবে NAAC স্বীকৃতি ও UGC-র 12(B) মর্যাদা দাবি করেছিল। এসব দাবি দেখিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করা হয়েছিল, এবং সাত বছরে এভাবে প্রায় ৪১৫ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে প্রতিষ্ঠানটি(Delhi Blast)। ইনকাম ট্যাক্স নথি বলছে, ২০১4–১৫ থেকে ২০১৫–১৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ৬০ কোটি টাকারও বেশি ‘ডোনেশন’ দেখিয়েছিল। পরে এগুলি ‘একাডেমিক রেভিনিউ’ হিসেবে দেখিয়ে দ্রুত আয় বাড়তে শুরু করে—২০১৮–১৯ সালে যেখানে আয় ছিল ২৪.২১ কোটি, ২০২৪–২৫ সালে তা পৌঁছয় ৮০.০১ কোটিতে।
আরও পড়ুন: Half Marathan: কলকাতা পুলিশের হাফ ম্যারাথন:আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, লোগো উন্মোচন
বিশ্ববিদ্যালয়ে আড়ালে ভয়ানক ষড়যন্ত্র (Delhi Blast)
ইডির অভিযোগ, বৈধ স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ ফি নেওয়া, নথি জালিয়াতি ও প্রতারণার অন্তর্গত। সংগৃহীত প্রমাণে উঠে এসেছে যে ছাত্রদের ফি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সরিয়ে নেওয়া হতো। CFO মোহাম্মদ রাজির বয়ানেও স্পষ্ট, সব বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতেন সিদ্দিকি নিজেই। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য—বিস্ফোরণকারী ড.উমর নবি ও তাঁর সহযোগীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ক্যাম্পাসের ল্যাব থেকে রাসায়নিক সরিয়ে বিস্ফোরক তৈরির অভিযোগও উঠে এসেছে। সিদ্দিকিকে হেফাজতে নেওয়ায় তছরূপ, আর্থিক জালিয়াতি ও সন্ত্রাসে অর্থ জোগানের তদন্ত আরও জোরদার হবে বলে মনে করছে ইডি।



