Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লিতে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিতে যৌথ অভিযানে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ও মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)(DELHI JeM Arrest)। ধৃতরা মুম্বইয়ের বাসিন্দা মোসাব আহদাম ওরফে কালাম কল্যাণ এবং মহম্মদ হামাদ কোল্লারা। তাঁদের দিল্লিতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
জঙ্গি যোগের অনুমান (DELHI JeM Arrest)
তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা অত্যন্ত মাত্রায় উগ্রপন্থায় প্রভাবিত ছিল এবং জইশ-ই-মহম্মদ (জেইএম) ও আইএস-এর মতো একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে পারে। তারা “মিশন খিলাফত” ও “সোলজার্স অফ প্রফেট”-এর মতো অনলাইন চরমপন্থী প্ল্যাটফর্মেও সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে। মুম্বইয়ে বসে তারা দিল্লিতে হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে অভিযোগ।
অনলাইন হ্যান্ডলারের খপ্পরে অভিযুক্তরা
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা অনলাইন হ্যান্ডলারদের দ্বারা প্রভাবিত ও পরিচালিত হচ্ছিল। তারা ‘আবু হুফেজাহ’ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগে ছিল, যিনি জেইএম-এর সঙ্গে যুক্ত এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়োগ ও উগ্রপন্থা ছড়ানোর কাজে জড়িত বলে সন্দেহ।
IED তৈরির কৌশল শিখছিল (DELHI JeM Arrest)
প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, দু’জন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরির কৌশল শিখছিল এবং খেলনা গাড়ির ভিতরে বোমা লুকিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল। এই ঘটনাটি বৃহত্তর কোনও সর্বভারতীয় জঙ্গি নেটওয়ার্কের অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা (DELHI JeM Arrest)
এদিকে, মুম্বইয়ে ৪-৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্কও আইএস প্রভাবিত প্রোপাগান্ডায় জড়িয়ে পড়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁদের নিয়ে কীভাবে এগোনো হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। এই ঘটনার মধ্যে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের মন্তব্য নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন হলে পাকিস্তান কলকাতাকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। যদিও তাঁর এই দাবি প্রমাণবিহীন বলে জানানো হয়েছে।



