Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ভোটার তালিকা ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। তৃণমূলের দাবি অনুযায়ী। ৬০ লক্ষ নাম ‘বিচারাধীন’। কয়েক লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকায় ঝুলে রয়েছে, যা তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তালিকায় নাম না থাকা এবং ‘এসআইআর’ আতঙ্কে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মৃতদের তালিকায় রয়েছেন ডেবরা, জলপাইগুড়ি, হরিশচন্দ্রপুর সহ বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মানুষ। আতঙ্কে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন পানিহাটির সাধনা মজুমদার। এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ধরনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Dharmatala Dharna)।
মেট্রো চ্যানেলে প্রস্তুতি তুঙ্গে (Dharmatala Dharna)
শুক্রবার সকাল থেকেই ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেল চত্বর সাজিয়ে তোলা হয়েছে। তিন রঙের চাঁদোয়া দিয়ে তৈরি হয়েছে বিশাল মঞ্চ। মঞ্চের দুই পাশে নেতা-মন্ত্রীদের বসার জন্য বিশেষ গ্যালারি তৈরি। অন্যদিকে কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের জন্য থাকছে বিশাল বসার জায়গা।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি (Dharmatala Dharna)
আজকের এই কর্মসূচি মনে করিয়ে দিচ্ছে নেত্রীর আগের লড়াইয়ের দিনগুলোকে:
এক নজরে মমতার ঐতিহাসিক ধরনাগুলি
২০০৬ (মেট্রো চ্যানেল): সিঙ্গুরে কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে টানা ২৬ দিনের অনশন।
২০০৮ (সিঙ্গুর): জমি ফেরানোর দাবিতে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ১৫ দিনের অবস্থান।
২০১৯ : তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের সমর্থনে ধরনা।
২০২১ (গান্ধী মূর্তি): নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ধরনা।
২০২৪ (রেড রোড): ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকার দাবিতে আম্বেদকর মূর্তির নিচে অবস্থান
আরও পড়ুন: Oil Price: যুদ্ধের আবহেও তেল-গ্যাসের দাম বাড়বে? দেশবাসীকে আশ্বাস মোদি সরকারের
অবস্থান কর্মসূচি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ (Dharmatala Dharna)
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন মমতার ধরনা কর্মসূচি শুধুমাত্র ৬ মার্চ থাকবে, নাকি বাড়তে পারে তা নিয়ে। শুক্রবারের মঞ্চ থেকেই দলের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তৃণমূল নেত্রী। ৮ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তার ঠিক আগেই আজকের এই অবস্থান কর্মসূচি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নিজের পুরনো ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটারদের স্বার্থে কী বার্তা দেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।



