Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডায়াবিটিস এমন একটি রোগ, যা একবার (Diabetes Prevention) শরীরে বাসা বাঁধলে সারা জীবনই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে জীবনযাপন-সব কিছুতেই বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন। অতিরিক্ত ক্যালোরি, বেশি কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার, অনিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও অবসাদ-এই সবকিছুই রক্তে শর্করার মাত্রাকে অস্থির করে তোলে। তাই আজকাল প্রায় প্রতিটি পরিবারেই একজন না একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং দৈনন্দিন ডায়েটে কিছু উপকারী মশলা যোগ করলে ডায়াবিটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
নানা মশলার ব্যবহার (Diabetes Prevention)
প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় রান্নাঘরে নানা মশলার (Diabetes Prevention) ব্যবহার শুধু স্বাদ বাড়ানোর জন্য নয়, স্বাস্থ্যরক্ষার জন্যও হয়ে এসেছে। ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে এমন কয়েকটি মশলার ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
আদা (Diabetes Prevention)
আদা তার মধ্যে (Diabetes Prevention) অন্যতম। আদা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদা শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণে সহায়তা করে। ইনসুলিন ঠিকভাবে কাজ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখা সহজ হয়। প্রতিদিন সকালে বা বিকেলে আদা দেওয়া হালকা চা খাওয়া যেতে পারে, কিংবা রান্নায় অল্প আদার ব্যবহার করলেও উপকার মেলে।

মেথি
মেথিও ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি উপাদান। মেথিতে থাকা প্রাকৃতিক ফাইবার রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে দেয়। ফলে হঠাৎ করে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। অনেকেই সকালে ভেজানো মেথি জল পান করেন, আবার কেউ রান্নায় মেথি ফোড়ন দেন। যেভাবেই ব্যবহার করা হোক, নিয়মিত মেথি গ্রহণে শর্করার ভারসাম্য বজায় থাকে।

দারচিনি
দারচিনি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মশলা, যা ডায়াবিটিকদের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। দারচিনি শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়, ফলে কোষ সহজে গ্লুকোজ গ্রহণ করতে পারে। প্রতিদিন অল্প দারচিনির গুঁড়ো তরকারি বা ডালে ব্যবহার করা যায়। কেউ চাইলে দারচিনি ভেজানো জলও খেতে পারেন।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: মনরেগা প্রকল্পের ‘নাম বদল’ সরব মুখ্যমন্ত্রী
জয়িত্রী
জয়িত্রী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ একটি মশলা। এটি শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিক্যাল কমাতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। চায়ের মধ্যে সামান্য জয়িত্রী মিশিয়ে খেলে ডায়াবিটিস রোগীরা উপকার পেতে পারেন।

হলুদ
সবশেষে হলুদের কথা বলতেই হয়। হলুদের প্রধান উপাদান কারকিউমিন রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়ক। প্রতিদিন রাতে হালকা গরম দুধের সঙ্গে অল্প হলুদ মিশিয়ে খেলে শরীরের জন্য ভালো ফল পাওয়া যায়।



