Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার ভোরের শান্ত পরিবেশ আচমকাই ভেঙে যায় হাওড়ার ডোমজুড়ে এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে (Domjur Fire)। সকাল প্রায় ৬টা নাগাদ পাখা তৈরির একটি কারখানায় আগুন লাগে এবং মুহূর্তের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে কারখানার ভিতরে থাকা মেশিন, কাঁচামাল ও দাহ্য বস্তু। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন (Domjur Fire)
আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। একে একে মোট ১০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজে নেমে পড়ে। দমকল কর্মীরা নিরলস প্রচেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তা সহজে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং দমকল কর্মীদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
দাহ্য পদার্থে বাড়ল বিপদ (Domjur Fire)
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, কারখানার ভেতরে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। পাখা তৈরির কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক, তার, রাবারসহ বিভিন্ন কাঁচামাল আগুনকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে। ফলে আগুনের তীব্রতা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং আশপাশের কারখানাগুলিতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

ঘিঞ্জি এলাকা, দমকলের কাজে বাধা (Domjur Fire)
ডোমজুড়ের ওই শিল্পাঞ্চলটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি হওয়ায় দমকলের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছতে কিছুটা সময় লেগে যায়। সরু রাস্তা এবং যানজট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তবুও দমকল কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কর্মীদের মরিয়া চেষ্টা (Domjur Fire)
আগুন লাগার পর প্রথমেই কারখানার কর্মীরা নিজেরাই জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বাধ্য হয়েই দমকলে খবর দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: Sandy Saha: কী হয়েছিল সেই ৪০ মিনিটে… স্যান্ডির বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়
আগুন লাগার কারণ এখনও অজানা
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন কীভাবে এই ভয়াবহ আগুন লাগল? শর্ট সার্কিট, যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনো কারণ এখনও কিছুই স্পষ্ট নয়। দমকল ও প্রশাসনের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খোঁজার চেষ্টা চলছে। কালো ধোঁয়া এবং আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশপাশের বাসিন্দারা। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান। এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে কোনো বড় দুর্ঘটনা না ঘটে।



