Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইএসএল-এর ইতিহাসে এই প্রথম বার টুর্নামেন্টের শুরুর দুই ম্যাচে জয় পেল মশাল বাহিনী (East Bengal)।
দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal)
এবারের আইএসএল-এর উত্তেজনা যেন আরও অনেকগুণ বেশি। শোনবারের যুবভারতীতেওঁ সেই উত্তেজনার ছাপ ছিল স্পষ্ট। ম্যাচের ৪ থেকে ১২ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের ছবি যেন পুরো বদলে যায়। ঝড়ের গতিতে এই আট মিনিটের মধ্যেই তিন গোল চলে আসায় গ্যালারি জুড়ে উচ্ছ্বাস। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। তবে পরের দিকে খেলার গতি কিছুটা হলেও কমে (East Bengal)।
ঝোড়ো সূচনার পর ম্যাচের গতি কিছুটা কমতে থাকে। দিল্লি ধীরে-ধীরে ছন্দে ফেরার চেস্ট করলেও ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণের পাল্টা আক্রমণ শানাতে পারেনি। ইস্টবেঙ্গলের চাপ, দ্রুত বল কেড়ে নেওয়া এবং সুশৃঙ্খল রক্ষণ বারবার ভেস্তে দেয় বিপক্ষের পরিকল্পনা। যে কারণে দিল্লি ঝাঁঝ বাড়ানোর আগেই থমকে যায় ময়দানের রণক্ষেত্রে।

ম্যাচের ৪ মিনিটের মধ্যে অগাস্টিন যুবভারতীকে বিস্মিত করে দেয়। বক্সের ভেতরে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শট নেন তিনি। বল সোজা জালে জড়িয়ে যায়। গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল দ্রুত ঝাঁপালেও রক্ষা করতে পারেননি। ১-০ এগিয়ে যায় দিল্লি। মুহূর্তে স্তব্ধ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। সেই সময় যেন সিঁদুরে মেঘ দেখছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তবে সেই অস্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি ইস্টবেঙ্গলের প্লেয়াররা।

মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। ৭ মিনিটে বিপিনের ফ্রি-কিক থেকে ইনসুইং করা বল ডিফেন্ডার হেড করে সরানোর চেষ্টা করেন। বল গিয়ে পড়ে বক্সের বাইরে দাঁড়ানো লালরিন্দিকার সামনে। প্রথম ছোঁয়াতেই জোরালো ভলি নেন তিনি। শটটি সোজা যায় দিল্লির গোলকিপার বিশাল যাদবের দিকে। কিন্তু বিশাল বল ঠিকমতো ধরতে পারেননি, হাত ফস্কে তা গোলে ঢুকে যাওয়ায় সমতা ফায়ার আসে ম্যাচে (East Bengal)।
আরও পড়ুন: T20 World Cup: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে প্রশ্ন উঠছে গম্ভীরের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে
এরপর আরও ঢাকা খায় দিল্লি। ১০ মিনিটে লালরিন্দিকা বক্সের ভেতরে ঢুকতেই তাঁকে আটকাতে গিয়ে ক্লারেন্স ফাউল করেন। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টি দেন। স্পট-কিক থেকে এজেজারি ভুল করেননি। তখন ব্যবধান ২-১। ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যেতেই দিল্লির আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরে। নিষ্প্রভ হতে থাকে তাদের হেলা। ৪০ মিনিটে মিগুয়েলের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢোকেন এজেজারি। গোলকিপার এগিয়ে এলেও তিনি শান্ত থেকে বল দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন। বিরতির আগেই স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-১।
শেষ মুহূর্তে ইনজুরি টাইমে মিগুয়েল দুরন্ত একটি গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান। দিল্লির রক্ষণ তখন কার্যত ভেঙে পড়েছে। দূর থেকে নেওয়া তাঁর নিখুঁত শট জালে জড়াতেই স্কোর হয় ৪-১। গোটা ম্যাচে মিগুয়েল ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রধান মুখ। আক্রমণ গড়া থেকে গোল করা সর্বত্রই তাঁর প্রভাব স্পষ্ট। যদিও জোড়া গোলের জন্য ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন এজেজারি (East Bengal)।


