Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন (Voter List) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি, নাম অন্তর্ভুক্তি বা বাতিল সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তিতে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আবেদনের জন্য অনলাইন পোর্টাল চালু করা হলো। এর ফলে ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Payal Malik: সন্তানের আনন্দের মাঝেই হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি পায়েল মালিক
গত ২৪ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনে কমিশন জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। জুডিশিয়াল আধিকারিকদের কোনো সিদ্ধান্তে ভোটাররা সন্তুষ্ট না হলে, তাঁরা সরাসরি এই ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে পারবেন। খুব শীঘ্রই কোন জেলায় কবে ট্রাইব্যুনাল বসবে, সেই বিস্তারিত সূচিও ঘোষণা করা হবে।
অনলাইনে আবেদনের পদ্ধতি (Voter List)
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে আবেদন করতে হলে নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। সেখানে ‘Register in Electoral Roll’ অপশনে গিয়ে ‘Under Adjudication submit Appeal of Individual’ বিভাগে আবেদন জমা দেওয়া যাবে। আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মাবলী মানতে হবে:
আবেদনকারীকে নাম, EPIC নম্বর, সঠিক ঠিকানা ও পিনকোড দিতে হবে। ঠিকানার বর্ণনা ২৫০ শব্দের মধ্যে এবং আবেদনের কারণ ১০০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে। আবেদনকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা দাবি ৫০০ শব্দের মধ্যে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়াও ‘ecinet’ পোর্টালের মাধ্যমেও আবেদন করা যাবে।
অফলাইন আবেদনের সুবিধাও থাকছে (Voter List)
যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য অফলাইন ব্যবস্থাও খোলা রাখা হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে সরাসরি জেলাশাসক (DM), অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM) বা মহকুমা শাসকের (SDO) দফতরে গিয়ে আবেদন জানানো যাবে। সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে সেই তথ্য অনলাইনে আপলোড করে নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
আরও পড়ুন: Voter Lists: প্রতিদিন প্রকাশিত হবে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা, সামনে এল তৃতীয় লিস্ট
সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে কমিশনের এই ডিজিটাল ও আইনি তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।



