Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শনিবার থেকেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকা সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ SIR শুনানি পর্ব (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ উদ্যোগ ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন একটাই আমাকে কি শুনানির নোটিশ দেওয়া হবে? কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে প্রায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে এই শুনানির আওতায় আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ২০ লক্ষ ভোটারের শুনানির নোটিশ ছাপানো ও ইস্যু করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে বিএলও-দের মাধ্যমে বিলি করা হবে।

কেন এই SIR শুনানি? (Election Commission)
ভোটার তালিকায় অনিয়ম, ডুপ্লিকেশন, ভুল তথ্য বা দীর্ঘদিন ধরে আপডেট না হওয়া এন্ট্রি চিহ্নিত করতেই এই Special Intensive Revision। বিশেষ করে ২০০২ সালের পুরনো ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার ম্যাপিং করতে না পারা ভোটারদের খুঁজে বের করাই এই প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য। কমিশনের বক্তব্য, আনম্যাপিং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে প্রকৃত অসঙ্গতিগুলি সামনে আসবে এবং সেগুলি সংশোধনের জন্য শুনানির মাধ্যমে ভোটারদের বক্তব্য শোনা হবে।
কতজনকে, কীভাবে ডাকা হচ্ছে? (Election Commission)
প্রথম দফায় রাজ্যে ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৪ জন ভোটারের শুনানি দ্রুত শেষ করতেই এই বৃহৎ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।প্রতিদিন একজন ER0 ও AERO মিলিয়ে ১৫০ জন করে ভোটারের শুনানি করবেন, অর্থাৎ প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে দিনে প্রায় ১৬৫০ জন ভোটারের শুনানি হবে, শুনানির নোটিশ ইতিমধ্যেই ছাপিয়ে বিএলও স্তরে বিলির কাজ শুরু হয়েছে, শুনানির স্থান হিসেবে কলকাতার বিভিন্ন সরকারি দফতর ও কলেজ ভবন ব্যবহার করা হবে।

নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব কার হাতে? (Election Commission)
এই শুনানি পর্বে জমা পড়া সমস্ত নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব সরাসরি জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO)-দের হাতে তুলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই লক্ষ্যে, প্রতিটি জেলাশাসকের দফতরে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হচ্ছে, এই টিম জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে জেলাশাসককে রিপোর্ট দেবে, মাইক্রো অবজার্ভারদের উপস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়া চলবে, যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, কমিশনের মতে, জেলা প্রশাসনকে সরাসরি দায়বদ্ধ করতেই এই ব্যবস্থা।
কাদের হিয়ারিং-এ ডাকা হবে? (Election Commission)
প্রথম পর্যায়, যে সমস্ত ভোটারের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার ম্যাপিং করা যায়নি, তাঁদেরই প্রথমে শুনানিতে ডাকা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়, প্রথম পর্যায় শেষ হলে, যাঁদের তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে, ঠিকানা, বয়স, পরিচয় সংক্রান্ত বিভ্রান্তি আছে, তাঁদের পর্যায়ক্রমে শুনানির নোটিশ পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: Gulmarg Snowfall: গুলমার্গে মরশুমের প্রথম তুষারপাত, শীতের আমেজে নামল পর্যটকদের ঢল
নোটিশ না পেলে কি চিন্তার কারণ?
এখনও পর্যন্ত যাঁরা নোটিশ পাননি, তাঁদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কমিশন স্পষ্ট করেছে, ধাপে ধাপে নোটিশ পাঠানো হবে। প্রথম দফার শুনানি শেষে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী তালিকা তৈরি হবে।



