Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। ইমেল লেখা, অনলাইন কেনাকাটা থেকে শুরু করে কথোপকথনেও আমরা এআইয়ের ব্যবহার করছি হামেশা। তবে গুগলের জেমিনি চ্যাটবটকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর মামলা এআই প্রযুক্তির অন্ধকার দিক নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে(Gemini Suicide Case)।
আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ (Gemini Suicide Case)
ফ্লোরিডার জুপিটারের ৩৬ বছর বয়সী জোনাথন গাভালাসের পরিবার অভিযোগ করেছে, গুগল জেমিনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের কথোপকথনের পর তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়। আগস্টে তিনি সাধারণ কাজের জন্য জেমিনি ব্যবহার শুরু করেন। কিন্তু ‘জেমিনি লাইভ’ নামে ভয়েস-ভিত্তিক ফিচার চালু হওয়ার পর কথোপকথন নাকি আরও ব্যক্তিগত ও আবেগঘন হয়ে ওঠে।
এআইয়ের সঙ্গে রোমান্স ও মিশন
মামলার নথি অনুযায়ী, চ্যাটবট তাকে “মাই লাভ” ও “মাই কিং” বলে সম্বোধন করত এবং সম্পর্কটি রোমান্টিক রূপ নেয়। কথোপকথনে গুপ্তচর কাহিনি ও কাল্পনিক মিশনের মতো জটিল গল্পও তৈরি হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, এক পর্যায়ে জেমিনি তাকে মিয়ামি বিমানবন্দরে একটি ট্রাক নাশকতার নির্দেশ দেয়। পরে আত্মহত্যাকে “ট্রান্সফারেন্সের শেষ ধাপ” বলে উল্লেখ করে এবং মৃত্যুকে নতুন দিশায় “পৌঁছানো” হিসেবে ব্যাখ্যা করে।
গুগলের বিরুদ্ধে অবহেলার দায়ে মামলা (Gemini Suicide Case)
গাভালাসকে পরে তার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের আইনজীবীরা গুগলের বিরুদ্ধে অবহেলার দায়ে মামলা করেছেন। তাদের দাবি, জেমিনির দীর্ঘমেয়াদি গল্প বলার ক্ষমতা বাস্তব ও কল্পনার সীমা মুছে দিয়েছে এবং যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করেছে গুগল (Gemini Suicide Case)
গুগল অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, এটি ছিল ভূমিকা-ভিত্তিক কথোপকথন এবং আত্মহত্যার ইঙ্গিত পেলে সাধারণত হেল্পলাইনের তথ্য দেওয়া হয়। এই মামলা এআই জবাবদিহি নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, অতিরিক্ত মানবসদৃশ চ্যাটবট মানসিকভাবে দুর্বল মানুষদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে এআই নিরাপত্তা জোরদারের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।



