Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপ থেকে ইতালির বিদায়ের পর দায়িত্ব ছাড়লেন ইতালি ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট গাব্রিয়েলে গ্রাভিনা (Gianluigi Buffon)।
পদত্যাগ করলেন বুফোঁ (Gianluigi Buffon)
১৯৯৩ সাল, কলকাতা আস্তে-আস্তে সাবালক হয়েছে। হেমন্ত, মান্না ছাড়িয়ে গ্রামাফোনে তখন জায়গা করে নিয়েছেন বব ডিলান, পিট সিগার প্রমুখ। শহরের অলি-গলি-পাকস্থলী জুড়ে তখন সব ধরণের মানুষের এক সমাগন স্থল। কিন্তু এই বছর মানুষের মনে দাগ কেটেছে একটি দুর্ঘটনার জন্যও। ১৯৯৩ সালের ১৫ মার্চ কলকাতার বৌবাজারে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কলকাতার বুক কিন্তু সেই সময়ে ফুটল বিশ্বেও ঘটে এক বিস্ফোরণ, যার খবর তৎক্ষণাৎ না পেলেও ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল বিশ্বে। ইতালির অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বুফোঁর (Gianluigi Buffon)।
ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা গোলরক্ষক তিনি। যার কৌশল এবং দক্ষতার কাছে হার মানতে হয়েছে তাবড়-তাবড় ফুটবলারদের। ইতালি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পরে দায়িত্ব ছাড়লেন ইতালি দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই তারকা গোলকিপার জিয়ানলুইজি বুফোঁ। তাঁর সঙ্গে দায়িত্ব ছাড়লেন ইতালি ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট গাব্রিয়েলে গ্রাভিনা। টানা তিনবার বিশ্বকাপের মূল পর্বের যোগ্যতা অর্জন না করতে পেরে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল গ্রাভিনাকে। তার জেরেই এই পদত্যাগ বলেই মনে করা হচ্ছে।
একদিকে যখন জ্যাজ, ব্লুজ শুনে মাতোয়ারা সংগীত প্রেমীরা তখন ফুটবল বিশ্বে বিপক্ষের কাছে বুফোঁ এমন এক প্রাচীর, যে প্রাচীর ভেদ করে গোল করা ছিল প্লেয়ারদের কাছে দুঃস্বপ্ন। তাঁর দস্তানা বহু ম্যাচ ইতালির হয়ে জয়ের ল্যান্ডমার্ক সৃষ্টি করেছে। সেই দস্তানার কাছে এসে হার মানতে হয়েছে তারকা স্ট্রাইকারদের।

এইদিকে আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি শেষ হতেই চাপানউতোর শুরু হয়েছে জাতীয় এবং ক্লাব দলের মধ্যে। কোনও প্লেয়ার চোট পেয়েছেন আবার কোনও প্লেয়ারকে জাতীয় দলে নির্বাচন করে খেলানো হয়নি এক মিনিটও। এর ফলে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আর অন্যদিকে বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেশের সমর্থকরা। পর্যটনের জন্য এবং ফুটবলের জন্য বিখ্যাত এই দেশের ফুটবলের করুণ হাল দেখা ফুটবলবিশ্বের কাছে সত্যিই দুর্ভাগ্যের (Gianluigi Buffon)।

রাফিনিয়া ব্রাজিলের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছেন আর সেই চোট এতটাই গুরুত্ব যে আগামী একমাস তাঁকে খেলানো সম্ভব নয়। বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তা অখুশি খোদ ফিফার উপরেই। আবার রিয়াল মাদ্রিদের জুড বেলিংহ্যামকে ইংল্যান্ড টিমে নেওয়া হলেও দুটি ম্যাচেই খেলানো হয়নি। শুধু শুধু কেন নিয়ে যাওয়া হলো এনিয়ে অসন্তুষ্ট অনেকে। ফেব্রুয়ারিতে চোট পাওয়া বেলিংহ্যাম এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন।

সপ্তাহ দুয়েক আগে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ম্যাচে অল্প কয়েক মিনিট মাত্র মাঠে নেমেছিলেন। তাঁকে কেন জাতীয় দলে নেওয়া হলো, এই প্রশ্নই উঠছে রিয়াল মাদ্রিদ শিবিরে (Gianluigi Buffon)। সবশেষে এখন একটি প্রশ্ন এই ব্যর্থতা কাটিয়ে কবে আবার ফুটবলের মূল স্রোতে ফিরবে ইতালি।


