Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশ সীমান্তে(Border) কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহণ মামলায় রাজ্যের থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের। রাজ্য ভূমি সংস্কার দফরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে মামলায় পার্টি করতে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। আগামী ২২ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন রাজ্যের রিপোর্ট দেখেই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেবে আদালত। আদালতে কেন্দ্রের দাবি, ২২৯.৩ কিলো মিটার জমির জন্য ১৮১.৬৫ কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। তারপর জমি অধিগ্রহণ হয়নি।
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা(Border)
বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকা ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটার। এই দীর্ঘ সীমান্তের(Border) অনেক জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নেই ৷ ফলে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান চলছে অবাধে ৷ রাষ্ট্রীয় সম্পদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে ৷ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কয়েকশো কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া (ফেন্সিং) দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলার দায়ের হয়৷ গত শুনানিতে কেন্দ্রের তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করছে না ৷ সেই জন্য ফেন্সিংয়ের কাজ আটকে রয়েছে।
গত শুনানিতেই রাজ্যের থেকে রিপোর্ট তলব আদালতের(Border)
গত শুনানিতেই এই ব্যাপারে রাজ্যের থেকে ইতিবাচক রিপোর্ট তলব করেছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সাত দিনের মধ্যে আদালতে সেই রিপোর্ট জমা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ইতিবাচক রিপোর্ট না পেলে টানা শুনানি হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
বৃহস্পতিবারও রিপোর্ট দিতে পারল না রাজ্য!(Border)
কিন্তু বৃহস্পতিবারও এই মামলার শুনানিতে রিপোর্ট দিতে পারল না রাজ্য। এদিন শুনানিতে কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল আদালতকে জানান, ২২৯.৩ কিলো মিটার জমির জন্য ১৮১.৬৫ কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। জমি অধিগ্রহণ নিয়ে রাজ্যকে ডাটা সাবমিট করতে বলেছিল আদালত। কিন্তু তার করা হয়নি। টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। তাই রাজ্যের উচিত ছিল জমি অধিগ্রহণ করে যারা কাজ করবে, সেই সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া। রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী যে কোনও সময় জমি অধিগ্রহণ করতে পারে।
আরও পড়ুন: Aniket Mahato: অনিকেতকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজেই পোস্টিং দিতে হবে! সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা রাজ্যের
আদালতে রাজ্যে যুক্তি
এদিন রাজ্য আদালতে যুক্তি দেয়, টাকা দেওয়া হয়েছে জেলা কালেক্টরের কাছে। কিন্তু ভূমি সংস্কার দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে সমস্ত তথ্য ও নথি রয়েছে।আর দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এই মামলায় পক্ষ নন। তাই ডাটা সংগ্রহ করা সম্বব হয়নি।
রাজ্যের থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব
সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে রাজ্যের থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন। এবং ভূমি সংস্কার দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকেও এই মামলায় পার্টি করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ২২ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী মামলা। সেদিন রাজ্যের রিপোর্ট দেখে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেবে আদালত।


