Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বর্ষার দিনে চায়ের কাপের (Health Alert) সঙ্গে শিঙাড়া বা জিলিপির লোভ সামলানো মুশকিল! অফিস হোক বা স্কুল-কলেজ, ক্যান্টিনে এই মুখরোচক খাবারগুলোর চাহিদা সর্বত্র। অনেকের তো আবার শিঙাড়ার সঙ্গে জিলিপি না হলে সন্ধ্যা অসম্পূর্ণই মনে হয়। কিন্তু জানেন কি, এই চেনা খাবারগুলোই ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি ডেকে আনছে? সেই কারণেই এবার এই খাবারগুলোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকা (Health Alert)
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে (Health Alert) সমস্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনে এখন থেকে শিঙাড়া, জিলিপি, লাড্ডু, বড়া, পকোড়া ইত্যাদি খাবারে থাকা অতিরিক্ত চিনি, তেল এবং ক্যালোরির পরিমাণ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে হবে পোস্টারের মাধ্যমে। উদ্দেশ্য একটাই ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সচেতন করা। খাবারের স্বাদে মন ভরলেও, শরীরে তার ক্ষতিকর প্রভাব যাতে কেউ অজান্তে গ্রহণ না করেন।
খাওয়ার আগে জানিয়ে দেওয়া (Health Alert)
এই নির্দেশ মানতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে নাগপুরের এইমস (Health Alert) । কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনেই তারা ক্যাম্পাসে এই নিয়ম কার্যকর করছে। বিষয়টি শুধুমাত্র কোনও নির্দিষ্ট খাবারের নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং খাওয়ার আগে জানিয়ে দেওয়া কী খাচ্ছেন, কেন খাচ্ছেন, এবং তা শরীরে কী প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন: Post Office Scheme: ব্যাঙ্ক নয়, পোস্ট অফিসেই বেশি সুদ! জেনে নিন কোন স্কিমে মিলছে সেরা রিটার্ন!
বড় একটি স্বাস্থ্য-চিন্তা
এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে আরও বড় একটি স্বাস্থ্য-চিন্তা। কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য বলছে, বর্তমানে প্রতি পাঁচ জন শহরবাসীর মধ্যে অন্তত একজন স্থূলত্ব বা ওবেসিটির শিকার। এই হার যেভাবে বাড়ছে, তাতে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৪৫ কোটির বেশি ভারতীয় স্থূলত্বে আক্রান্ত হতে পারেন। এবং এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে অতিরিক্ত চিনি ও ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবারের নিরন্তর গ্রহণ।
তামাকজাত দ্রব্যের মতোই ক্ষতিকর
সরকারের বক্তব্য এই ধরনের খাবার তামাকজাত দ্রব্যের মতোই ক্ষতিকর হয়ে উঠছে শরীরের পক্ষে। নিয়মিত এইসব খাবার খেলে ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের আশঙ্কা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ে। আর তাই এবার সময় এসেছে এই খাবার সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করার। খাবার খাওয়ার স্বাধীনতা থাকলেও, তার স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জানা জরুরি।


