To Join Our Whatsapp Channel
Click here
To Join Our Telegram Group
Click here
Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
Contents
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: লিভারকে সুস্থ রাখতে শুধু জাঙ্ক খাবার এড়ালেই হবে না (Healthy Liver Tips); কিছু উপকারী খাবার ও পানীয় রোজের খাদ্যতালিকায় রাখাও দরকার। গবেষণায় দেখা গেছে, তিন ধরনের খাবার নিয়মিত খেলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমে এবং লিভার ভালো থাকে।

স্বাস্থ্যকর যে পানীগুলো (Healthy Liver Tips)
- মাচা জাপানি সবুজ চায়ের গুঁড়ো, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনলে ভরপুর। এটি লিভারের কোষকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ কমায় (Healthy Liver Tips)।
- কফি – কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং সিরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি – চা পাতায় থাকা থিফ্ল্যাভিন ও ক্যাটেচিন প্রদাহ কমিয়ে লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো রাখে।
মনে রাখবেন: এই পানীয়গুলো দুধ ও চিনি ছাড়া খেলে তবেই প্রকৃত উপকার পাওয়া যায়। অতিরিক্ত চিনি আবার লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
সুপারফুড হিসেবে হলুদ (Healthy Liver Tips)

হলুদকে আয়ুর্বেদ ও লোকচিকিৎসায় বহুদিন ধরে লিভারবান্ধব খাদ্য হিসেবে ধরা হয়।
- কারকিউমিন হলুদের সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। এটি অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, লিভারে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
- হলুদের চা, “গোল্ডেন মিল্ক” অথবা রান্নায় নিয়মিত হলুদ ব্যবহার করলে লিভার সুস্থ থাকে এবং চর্বি জমার প্রবণতা কমে।

যে শাকসবজি অপরিহার্য! (Healthy Liver Tips)
- বেরি জাতীয় ফল: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, র্যাসবেরিতে প্রচুর অ্যান্থোসিয়ানিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো লিভার কোষের ক্ষতি রোধ করে ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।
- ব্রকোলি: এতে সালফোরাফেন ও ফাইবার রয়েছে, যা লিভার এনজাইম সক্রিয় করে, টক্সিন বের করে দেয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমায়।
- বিটরুট: বিটে থাকা বেটালাইন লিভার থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, প্রদাহ কমায় এবং কোষের ক্ষতি রোধ করে।
লেবুজাতীয় ফল, পেঁপে, আপেল, ডালিম, পালং, কলমি শাক ইত্যাদিও লিভারের জন্য উপকারী।
যা মানতে হবে (Healthy Liver Tips)
- প্রতিদিন অন্তত ৩০–৪০ মিনিট হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং বা যোগাভ্যাস
- পর্যাপ্ত জল পান করুন, ২.৫–৩ লিটার প্রতিদিন
- প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত চিনি-মেশানো পানীয় কমানো
- পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ



