Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বসন্তের আগমনী আবহে (Holika Dahan) ফাল্গুনী পূর্ণিমার গোধূলি লগ্নে পালিত হয় হোলিকা দহন, বাংলায় যা ‘ন্যাড়াপোড়া’ নামে বেশি পরিচিত। এটি শুধুমাত্র একটি লোকাচার নয়, বরং বহু প্রাচীন আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত এক বিশেষ আচার। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, এই অগ্নিসংযোগ অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির আহ্বানের প্রতীক। জীবনের অন্ধকার, বাধা ও নেতিবাচক প্রভাব দূর করে নতুন সূচনার পথ প্রশস্ত করাই এই আচার পালনের মূল উদ্দেশ্য। চলতি বছর ৩ মার্চ ফাল্গুনী পূর্ণিমার দিন অনুষ্ঠিত হবে এই পবিত্র অনুষ্ঠান।
কেন এমন প্রচলন? (Holika Dahan)
জ্যোতিষশাস্ত্র ও লোকবিশ্বাসে (Holika Dahan) বলা হয়, ন্যাড়াপোড়ার সময় নির্দিষ্ট কিছু উপাদান আগুনে নিবেদন করলে গৃহে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়ে। যেমন, গোবরের ঘুঁটে ও কর্পূর অর্পণ করলে পরিবেশ শুদ্ধ হয় এবং নেতিবাচক শক্তি দূর হয় বলে মনে করা হয়।

কালো তিল ও সর্ষে আগুনে দিলে কু-দৃষ্টি বা অশুভ প্রভাব কাটে-এমন বিশ্বাস বহু মানুষের মধ্যে প্রচলিত। একইভাবে, শুকনো নারকেল, বাতাসা ও লবঙ্গ নিবেদন করলে আর্থিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়। এছাড়া অক্ষত চাল ও সিঁদুর আগুনে নিবেদন করা সৌভাগ্য বৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
আরও পড়ুন: SIR First List: হুগলিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, কত নাম বাদ পড়ল?
নিয়ম মানাও গুরুত্বপূর্ণ
এই আচার পালনের সময় কিছু নিয়ম মানাও গুরুত্বপূর্ণ। আগুন জ্বলার পর তিন বা সাতবার প্রদক্ষিণ করে নিজের ও পরিবারের মঙ্গল কামনা করা হয়। অনেকে ন্যাড়াপোড়ার ছাই বাড়ির প্রবেশদ্বারের সামনে রাখেন, যাতে অশুভ শক্তি দূরে থাকে। পরিষ্কার পোশাক ও পবিত্র মনে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়াই শ্রেয়। তবে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে আগুনের খুব কাছে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।



