Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিন সরকারের বহু প্রচার-প্রচারণার মধ্য (Hongqi Bridge) দিয়ে মাত্র দুই মাস আগে উদ্বোধন হয়েছিল হংকি ব্রিজ-যা তিব্বতকে মূল ভুখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। কিন্তু উদ্বোধনের পর এতটা স্বল্প সময় পেরোনোর আগেই সেতুটি ধসের মুখে পড়ায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে চিনের পাহাড়ি প্রকল্প বাস্তবায়নের মান এবং নিরাপত্তা।
আকস্মিক দুর্ঘটনা (Hongqi Bridge)
চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর সিচুয়ান (Hongqi Bridge) প্রদেশের মায়ারকাং শহরের নিকটবর্তী এলাকায় আকস্মিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। পাহাড়ি অঞ্চলে প্রবল ধস নামায় বিপুল পরিমাণ পাথর গড়িয়ে নেমে আসে এবং সরাসরি সেতুর একাধিক অংশে ধাক্কা মারে। মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে চুরমার হয়ে পড়ে প্রায় ৭৫৮ মিটার দীর্ঘ সেতুটি। সৌভাগ্যক্রমে কোনও প্রাণহানি হয়নি, তবে কৌশলগত দিক থেকে পরিস্থিতি চিনের পক্ষে একেবারেই অনুকূল নয়।

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (Hongqi Bridge)
এই সেতুটি ছিল জাতীয় সড়ক G317-এর উপরে নির্মিত (Hongqi Bridge)। ভারতের সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর পিপলস লিবারেশন আর্মি বা PLA-র ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের সৈন্য, রসদ ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিত হংকি ব্রিজ। ফলে এর ভেঙে পড়া সরাসরি প্রভাব ফেলেছে চিনের সীমান্তমুখী সামরিক কৌশলে। এখন অন্তত কিছুদিন মূল ভূখণ্ড থেকে তিব্বতের দিকে দ্রুতগতিতে সৈন্য মোতায়েন করা সম্ভব হবে না।

আরও পড়ুন: Lalu Prasad: বিহার ভোটের পর কি যাদব পরিবারে নতুন রাজনৈতিক যুদ্ধ শুরু হল?
জিনপিং প্রশাসন গত কয়েক বছর ধরে তিব্বত অঞ্চলে দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পাহাড় কেটে রাস্তা, সুরঙ্গ, দীর্ঘ সেতু-সবই করা হয়েছে ভারতের উপর কৌশলগত চাপ বজায় রাখার উদ্দেশ্যে। সেই লক্ষ্যেই চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রায় ৬৫২ মিটার উচ্চতায় নির্মিত এই সেতুটি উদ্বোধন করা হয়েছিল। সে সময় দাবি করা হয়েছিল, কঠিন ভূপ্রকৃতি সত্ত্বেও নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি। কিন্তু মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সেতু ভেঙে যাওয়ায় সেই দাবি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।


