Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশজুড়ে খুচরো টাকার সংকট নতুন নয় (Hybrid ATM), তবে সাম্প্রতিক সময়ে সমস্যাটি আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। নিত্যদিনের কেনাকাটায় দোকানদারদের যেখানে ৫০ বা ১০০ টাকার প্রয়োজন, সেখানে গ্রাহকদের হাতে থাকছে মূলত ৫০০ টাকার নোট। এটিএম থেকেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বড় নোটই বেরোচ্ছে। ফলে খুচরো না থাকার কারণে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসায়ী-সকলেই ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। ডিজিটাল লেনদেন বা ইউপিআই ব্যবস্থার ব্যাপক প্রসার সত্ত্বেও বাস্তব জীবনে নগদের প্রয়োজন যে এখনও অস্বীকার করা যায় না, এই পরিস্থিতি তা আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
সমস্যার সমাধান (Hybrid ATM)
এই সমস্যার সমাধানে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিতে চলেছে (Hybrid ATM) কেন্দ্র এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সূত্রের খবর, দেশে চালু হতে পারে এক নতুন ধরনের এটিএম ব্যবস্থা, যার নাম ‘হাইব্রিড এটিএম’। এই এটিএম থেকে শুধু বড় নোট নয়, বরং ১০, ২০ ও ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোটও তোলা যাবে। ফলে দৈনন্দিন লেনদেনে খুচরো নিয়ে আর সমস্যায় পড়তে হবে না সাধারণ মানুষকে।

দুটো সুবিধা (Hybrid ATM)
এখানেই (Hybrid ATM) শেষ নয়। এই হাইব্রিড এটিএমে আরেকটি অভিনব সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। জানা যাচ্ছে, গ্রাহক যদি বড় নোট এটিএমে জমা দেন, তবে সেই টাকাই খুচরো করে ফেরত নেওয়া যাবে একই মেশিন থেকে। অর্থাৎ, টাকা ভাঙানোর জন্য আলাদা করে দোকান বা কাউন্টারের দ্বারস্থ হতে হবে না। এক কথায়, একই এটিএমে টাকা তোলা ও খুচরো করা-দুটো সুবিধাই মিলবে।
হাইব্রিড এটিএম
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সূত্র উদ্ধৃত করে জানা গিয়েছে, এই ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে শুরু হয়েছে। পাইলট প্রকল্প সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য শহরেও এই হাইব্রিড এটিএম চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে বড় শহরের ব্যস্ত এলাকা, বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনের আশপাশে এই এটিএম বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: সিঙ্গুরের মাটি থেকে বিজেপিকে রুখে দেওয়ার শপথ মমতার!
আরবিআই সূত্রের দাবি, বর্তমানে দেশে প্রচলিত নগদের বড় অংশই ৫০০ টাকার নোটে সীমাবদ্ধ। ছোট নোটের জোগান তুলনামূলকভাবে অনেক কম। সেই কারণেই ভবিষ্যতে ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোট ছাপানোর পরিমাণ বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। সব মিলিয়ে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে খুচরো সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।


