Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স (ICC) আজ কলকাতায় তাদের ফ্ল্যাগশিপ অনুষ্ঠান ‘সপ্তম গ্লোবাল এডুকেশন ফোরাম’ (GEF) আয়োজন করল(ICC GEF)। এবারের মূল থিম ছিল “বিকশিত ভারত @২০৪৭: বিশ্বজ্ঞানের যুগে শাসনব্যবস্থা, পাঠ্যক্রম এবং মেধার রূপান্তর।
‘শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন’
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “২০৪৭ সালের বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র মাধ্যমে আমরা প্রথাগত বাধা ভেঙে বহুমুখী শিক্ষার পথ প্রশস্ত করেছি।” তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল ২০২৫’ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করবে।
‘আধুনিক ল্যাবরেটরি এবং ফ্লেক্সিবল লার্নিংয়ের উপর জোর’
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যাল মত প্রকাশ করে বলেন, “আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI-এর প্রভাবে প্রথাগত লেকচার-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় মডেল এখন সেকেলে হতে চলেছে।” তিনি বড় ক্যাম্পাসের বদলে আধুনিক ল্যাবরেটরি এবং ফ্লেক্সিবল লার্নিংয়ের উপর জোর দেন।
‘শিল্পের সাথে সরাসরি যোগাযোগ’
আইসিসি ন্যাশনাল এক্সপার্ট কমিটির চেয়ারম্যান সত্যম রায়চৌধুরী বলেন, “উচ্চশিক্ষা শুধু জ্ঞান আহরণ নয়, বরং নৈতিক নেতা ও উদ্ভাবক তৈরির মাধ্যম হওয়া উচিত।” তিনি উল্লেখ করেন বর্তমানের ৫৬.৩৫% কর্মসংস্থানের হারকে আরও উন্নত করতে শিল্পের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
‘চাকরিদাতা অর্থাৎ উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে’ (ICC GEF)
টেগা ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মদন মোহন মোহঙ্কার মতে, “ভারতকে আত্মনির্ভর করতে হলে আমাদের চাকরিপ্রার্থীর বদলে চাকরিদাতা অর্থাৎ উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের ‘কী ভাবতে হবে’ তার বদলে ‘কীভাবে ভাবতে হবে’ তা শেখানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
আরও পড়ুন: HS Exam: সফলভাবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ, দ্রুত ফলপ্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা সংসদের
সরকারি নীতি ও বেসরকারি উদ্যোগের মেলবন্ধন (ICC GEF)
অনুষ্ঠানে হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনসের সিইও প্রদীপ আগরওয়াল, ইউজিসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান ভি. এন. রাজশেখরন পিল্লাই, ফরাসি দূতাবাসের শিক্ষা আধিকারিক জুলিয়া মার্টিন এবং আইসিসি-র ডিরেক্টর জেনারেল ডঃ রাজীব সিং বক্তব্য রাখেন। সরকারি নীতি ও বেসরকারি উদ্যোগের মেলবন্ধনেই ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বমানের হয়ে উঠবে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশ একটি প্রকৃত ‘নলেজ ইকোনমি’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।



