Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরায়েলের (Indian Rupee Depreciation) সংঘাত পাঁচ দিনে পা দিতেই তার ছায়া স্পষ্ট ভারতের অর্থনীতিতে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে আপাতত কোনও তেলবাহী জাহাজ চলাচল করতে না পারায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির জোগান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চাহিদা বাড়ছে, সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী দাম। ভারতের মোট আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের বড় অংশই আসে ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েতের মতো পশ্চিম এশীয় দেশ থেকে। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া থেকে আমদানি কমায় এই নির্ভরতা আরও বেড়েছে। ফলে পরিস্থিতি জটিল হলে সরাসরি চাপ পড়ছে দেশের উপর।
মুদ্রাস্ফীতির কারণ কী? (Indian Rupee Depreciation)
তেলের দাম বাড়লেই তার প্রথম প্রভাব পড়ে (Indian Rupee Depreciation) মুদ্রাস্ফীতিতে। জ্বালানির খরচ বাড়লে পরিবহণ থেকে উৎপাদন-সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এর ফলে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ভান্ডার থেকে বেশি ডলার খরচ করতে হয়। ভারত যেহেতু তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলপিজির বড় আমদানিকারক, তাই পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এই খাতগুলিকে তৎক্ষণাৎ প্রভাবিত করে।

ডলারের চাহিদা বাড়াই কারণ (Indian Rupee Depreciation)
ডলারের চাহিদা বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয় ভারতীয় টাকা। তেল কিনতে বেশি ডলার খরচ হওয়ায় মুদ্রার উপর চাপ তৈরি হয়। পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগর ঘিরে জাহাজ চলাচলের বিমা ও পরিবহণ খরচ বেড়ে যায়, যা আমদানির ব্যয় আরও বাড়িয়ে তোলে।

আরও পড়ুন: Iran Conflict: ১০০ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে দু’হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, দাবি আমেরিকার!
আরও একটি বড় দুশ্চিন্তার জায়গা হল রেমিট্যান্স। উপসাগরীয় দেশগুলিতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নিয়মিত অর্থ দেশে পাঠান। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সেই অর্থপ্রবাহ ব্যাহত হতে পারে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ঝুঁকি এড়িয়ে সম্পদ সরিয়ে নিতে শুরু করেন। অনেকেই সোনার মতো নিরাপদ বিনিয়োগে ঝোঁকেন। ফলে শেয়ারবাজারে অস্থিরতা বাড়ে এবং তার প্রভাব পড়ে সামগ্রিক অর্থনীতিতে।


