Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় ঘটল এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Indonesia)। দুপুরের দিকে একটি সাততলা অফিস ভবনে হঠাৎ করেই আগুন লেগে যায়, আর অল্প সময়ের মধ্যেই তা রূপ নেয় দাপুটে অগ্নিকাণ্ডে। মুহূর্তে পুরো ভবন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়, ভিতরে আটকে পড়েন বহু কর্মী। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২০ জনের, যার মধ্যে রয়েছেন একজন গর্ভবতী মহিলাও।

কীভাবে লাগল আগুন (Indonesia)
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির প্রথম তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। তদন্তকারীদের মতে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি এর কারণ হতে পারে। আগুন লেগে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা সিঁড়িঘর ও কেব্ল ডাক্তের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে উপরের তলাগুলিতে। সেন্ট্রাল জাকার্তার পুলিশ প্রধান সুসাতিও পুরনোমো কনড্রো জানিয়েছেন, বিকেলের মধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০-এ পৌঁছেছে। তিনি আরও জানান, “আমরা এখনও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের দল সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।”

উদ্ধারকাজে চরম বাধা (Indonesia)
ঘন কালো ধোঁয়া ভবনের করিডর, সিঁড়ি এবং কক্ষগুলো ঢেকে ফেলায় বহু কর্মী পালাতে পারেননি। ব্রডকাস্টার কমপাস টিভি–র সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, ভবনের উপরের তলা থেকে আগুনের তীব্র শিখা বের হচ্ছে, দমকল কর্মীরা বারবার ভিতরে ঢুকে আটকে পড়াদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, বাইরে রাস্তায় জড়ো হয়েছেন আতঙ্কিত অফিস কর্মী ও স্থানীয়রা, বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মীদের হাতে একাধিক মৃতদেহের ব্যাগ বের করে আনা হচ্ছে,এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারাও বাধ্য হয়ে ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
আরও পড়ুন: India: যশস্বীর শতরানে সিরিজ জয় ভারতের! রো-কো জুটির কামব্যাকে মান বাঁচল গম্ভীরের
টেরা ড্রোন ইন্দোনেশিয়ার অফিস
ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতেই রয়েছে টেরা ড্রোন ইন্দোনেশিয়া–র অফিস। প্রতিষ্ঠানটি খনি, কৃষি, নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি ও পরিষেবা প্রদান করে থাকে। ভবনের বিভিন্ন তলায় বহু কর্মী কাজ করায় আগুন লাগার সময়ে ভেতরে মানুষের সংখ্যা ছিল যথেষ্ট। দমকলের সূত্রে জানা গেছে, উপরের তলায় আটকে থাকা কর্মীদের উদ্ধার করা সবচেয়ে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, কারণ ধোঁয়া সরানোর ব্যবস্থা কার্যকরীভাবে কাজ করেনি।



