Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অফিসের ব্যস্ত দিন হোক বা বাড়িতে বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ—হঠাৎ মাথাব্যথা(Headache) চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে আরও বেশি। ঘুমের অভাব, স্ট্রেস, ডিহাইড্রেশন কিংবা সারাদিন কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে কাজ করার ফলে অনেকেই মাথা ব্যথায় ভোগেন। কিন্তু কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ না থাকলে উপশম মিলবে কীভাবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ অভ্যাস দ্রুত মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
ডিহাইড্রেশনই কি আপনার মাথাব্যথার কারণ?(Headache)
দিনভর ব্যস্ততার কারণে অনেকেই ঠিক মতো জল খান না। এতে শরীর ডিহাইড্রেট হতে থাকে, আর তার প্রভাব পড়ে মাথার ওপর। গবেষণা বলছে, হঠাৎ মাথা ধরা বা তীব্র ব্যথার অন্যতম কারণ হতে পারে শরীরে জলের ঘাটতি। তাই অফিসে বা বাড়িতে কাজের ফাঁকেই অন্তত এক গ্লাস জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। অনেক সময় দেখা যায়, আধ ঘণ্টার মধ্যেই মাথাব্যথার(Headache)তীব্রতা অনেকটা কমে আসে।

জলসমৃদ্ধ ফলেও মিলবে দ্রুত আরাম(Headache)
জলের পাশাপাশি এমন ফল খেতে পারেন যেগুলোতে জলের পরিমাণ বেশি—যেমন তরমুজ, শসা, কমলা বা আঙ্গুর। এই ধরনের ফল শরীরকে হাইড্রেট রাখে এবং মাথাব্যথা কমাতে সহায়তা করে। ব্যস্ত রুটিনে ভারী খাবারের বদলে এমন হালকা ও জলসমৃদ্ধ ফলও মাথা হালকা রাখতে দারুণ কাজ করে।

কাজের ফাঁকে নিন ছোট্ট বিরতি
একটানা কম্পিউটার স্ক্রিনে চোখ রাখলে শুধু চোখই ক্লান্ত হয় না, চাপ পড়ে মাথার স্নায়ুতন্ত্রেও। তাই আচমকা ব্যথা অনুভব করলে ৫–১০ মিনিটের বিরতি নিন। এই বিরতির সময় আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে মাথা বা কপাল ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং মাথাব্যথা(Headache) কমে যায়।

সাময়িক স্বস্তি মিলবে ঠাণ্ডা সেঁকে
বাড়িতে থেকে কাজ করলে বরফ দিয়ে ঠাণ্ডা সেঁক নিতে পারেন। কয়েক টুকরো বরফ কাপড়ে মুড়ে কপাল, ঘাড় বা কান দু’পাশে লাগিয়ে রাখলে স্নায়ুর উত্তেজনা কমে, ব্যথাও হালকা হয়। অফিসে বরফ না থাকলে ঠাণ্ডা জলেই হবে কাজ। চোখে-মুখে ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা দিলে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।
আদা চায়ের ম্যাজিক
যাদের মাথাব্যথার সঙ্গে বমিভাব বা ঘোর লাগে, তাদের জন্য আদা চা একটি দারুণ উপকারী পানীয়। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। কাজের মাঝে গরম আদা চায়ের দুই–এক চুমুক আপনাকে অনেকটাই স্বস্তি দেবে।
আরও পড়ুন: Chikungunya: মশার দৌরাত্ম্যেই কি বাড়ছে রোগের ভয়? শহরের ৪০% মানুষ ঝুঁকিতে


