Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে সাম্প্রতিক হামলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করল ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরানের অন্য কোনও দেশ আক্রমণ করার ইচ্ছা নেই(Iran Apologises)। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে আর কোনও হামলা চালানো হবে না, যদি না সেই দেশগুলোর ভূখণ্ড থেকে ইরানের উপর আক্রমণ হয়।
‘প্রতিবেশীদের উপর হামলা নয়’ (Iran Apologises)
পেজেশকিয়ান জানান, দেশের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। তার কথায়, “অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ ঘোষণা করেছে যে প্রতিবেশী দেশগুলোর উপর আর কোনও হামলা বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে না, যদি না সেই দেশগুলোর মাটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানো হয়।”
প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা
সাম্প্রতিক আঞ্চলিক হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আমি প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমাদের অন্য কোনও দেশ দখল করার কোনও ইচ্ছা নেই।” বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে ইরান মূলত উপসাগরীয় দেশগুলিকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে যে সংঘাত আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা তাদের নেই।
‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ স্বপ্ন’
তবে একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’-এর দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। পেজেশকিয়ান বলেন, “আমাদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের স্বপ্ন তারা কবরেই নিয়ে যাবে।” এতে স্পষ্ট হয়েছে যে তীব্র চাপের মধ্যেও তেহরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে।
আগ্রাসনের জবাবেই ক্ষেপনাস্ত্র হামলা (Iran Apologises)
ইরান দাবি করেছে, তাদের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাব। গত এক সপ্তাহ ধরে ইরান অঞ্চলজুড়ে একাধিক হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: Iran India: ইরান যুদ্ধের প্রভাব এড়াতে ভারসাম্যের কূটনীতি, সরু দড়িতে ব্যালান্সের খেলা ভারতের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর উত্তেজনা (Iran Apologises)
এই উত্তেজনার সূচনা হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে বিমান হামলা চালায়। তেহরানে নিজের বাসভবনে থাকা অবস্থায় সেই হামলায় খামেনেই নিহত হন। হামলায় তার মেয়ে, জামাই ও নাতনি প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হওয়ার পর পরে মারা যান খামেনির স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে গেছে এবং পরিস্থিতি এখনও অস্থির রয়ে গেছে।



