Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বজুড়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক (Iran Israel War) অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদে আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, এই পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে এবং দেশকে কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে। সম্প্রতি একটি তথ্য অধিকার আইনের (RTI) জবাব সেই আশঙ্কাকেই আরও স্পষ্ট করেছে।
চাহিদা পূরণ সম্ভব? (Iran Israel War)
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দেওয়া (Iran Israel War) তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কৌশলগত তেলের ভাণ্ডার বা Strategic Petroleum Reserve (SPR) দিয়ে আপাত জরুরি পরিস্থিতিতে প্রায় ৯.৫ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে কমপক্ষে ৯০ দিনের মজুতকে নিরাপদ হিসেবে ধরা হয়। এই ব্যবধান দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
সংকটের সময়ে পর্যাপ্ত সুরক্ষা! (Iran Israel War)
বর্তমানে ভারতের তেল সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (Iran Israel War) মধ্যে বিশাখাপত্তনম, ম্যাঙ্গালুরু এবং পাদুরু-এই তিনটি স্থানে মোট ৫.৩৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৪ শতাংশ ভাণ্ডার পূর্ণ রয়েছে, যা মোটামুটি ৩.৩৭ মিলিয়ন মেট্রিক টনের কাছাকাছি। তবে পুরো সক্ষমতা ব্যবহৃত না হওয়ায় সংকটের সময়ে পর্যাপ্ত সুরক্ষা পাওয়া কঠিন হতে পারে।
জ্বালানির ওপর প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক কারণ দেশটি তার প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৮৫ শতাংশের বেশি বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বা পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত বাড়লে সরাসরি তার প্রভাব পড়তে পারে দেশের জ্বালানি সরবরাহে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে সমস্যা দেখা দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন: Pakistan Pollution: দূষণে বিশ্বসেরা পাকিস্তান, শীর্ষে আর কারা?
সরকার ভবিষ্যতে এই ভাণ্ডার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে। ওড়িশার চণ্ডীখোল এবং কর্ণাটকের পাদুরুতে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সঞ্চয় ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রকল্প এখনও সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হয়নি। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


