Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের অবস্থান নিয়ে শনিবার জল্পনা তুঙ্গে ওঠে, যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে দিবালোকেই যৌথ বিমান হামলা চালায়(Iran Khamenei)। প্রথম দফার আঘাতগুলির একটি রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে খামেনেইয়ের কার্যালয়ের কাছে পড়েছে বলে জানা গেছে।
খামেনেইকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয় (Iran Khamenei)
রয়টার্সকে একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলার সময় খামেনেই তেহরানে ছিলেন না। তাকে আগেই একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে তাকে কোথায় নেওয়া হয়েছে বা ঠিক কখন সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার সামরিক অভিযান
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনী বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করা আট মিনিটের একটি ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযানের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন।
‘আমেরিকার নিরাপত্তা সমস্যায় ফেলেছে ইরান’
ট্রাম্প বলেন, “আমাদের লক্ষ্য আমেরিকার জনগণকে রক্ষা করা এবং ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি নির্মূল করা। তারা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও বিপজ্জনক একটি গোষ্ঠী।” তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র, বিদেশে থাকা মার্কিন সেনা ঘাঁটি এবং মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলেছে।
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের (Iran Khamenei)
ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজও হামলার কথা স্বীকার করে বলেন, “রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হুমকি দূর করতেই ইজরায়েল এই আগাম হামলা চালিয়েছে।”
আরও পড়ুন: US Iran: ইরানে সামরিক অভিযান আমেরিকার, আত্মসমর্পণের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হামলা হঠাৎ করে হয়নি (Iran Khamenei)
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা হঠাৎ করে হয়নি। ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তেহরান, তেলআভিভ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল। হামলার একদিন আগেও ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কথা বললেও, তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল যে সামরিক শক্তি প্রয়োগ এমনকি শাসন পরিবর্তনের সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে।



