Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে ইরানের। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধংদেহী অবস্থানের জেরে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে মার্কিন হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোর টিকে থাকা ও সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্ব শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা আধিকারিককে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সামনে উঠে এসেছে আলি লারিজানির নাম(Iran Larijani)।
উঠে এসেছে আলি লারিজানির নাম (Iran Larijani)
৬৭ বছরের লারিজানি বর্তমানে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল (এসএনএসসি)-এর সচিব। এই সংস্থাই দেশের নিরাপত্তা ও yfosM নীতির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী মঞ্চ। তিনি খামেনেইর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। গত আগস্টে তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়, যার পর থেকেই তেহরানের আঞ্চলিক ও প্রতিরক্ষা কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছেন তিনি।
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় লারিজানি (Iran Larijani)
এলিট রাজনৈতিক-ধর্মীয় পরিবার থেকে উঠে আসা লারিজানি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সংসদের স্পিকার ছিলেন। ২০২১ সালে চিনের সঙ্গে ২৫ বছরের কূটনাতিক চুক্তি আলোচনায় তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাগদাদ ও বেইরুট সফরও করেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তাঁর ভূমিকাও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। এমনকি পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনাও তদারক করছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Mexico Drug:মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদক সম্রাট নিহত, তোলপাড় দেশ, স্ত্রী ও পরিবারের পরিচয় নিয়ে চর্চা
প্রশাসন পরিচালনার সম্ভাব্য নাম (Iran Larijani)
যদিও লারিজানি খামেনেইর উত্তরসূরি নন, তবু তিনি সর্বোচ্চ নেতার আস্থাভাজন বৃত্তের অন্যতম। যুদ্ধ বা শীর্ষ নেতৃত্বের উপর হামলার পরিস্থিতিতে প্রশাসন পরিচালনার সম্ভাব্য তালিকায় তাঁর নাম শীর্ষে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে ২৬ ফেব্রুয়ারি জেনিভায় ইরান-আমেরিকার তৃতীয় দফার পরমাণু বৈঠক হওয়ার কথা। লারিজানির বার্তা, “আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু চাপিয়ে দিলে জবাব দিতে প্রস্তুত।”



