Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই হাড়ে (Joint Pain) ব্যথা, হাঁটুতে শক্তভাব কিংবা পেশির জোর কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেকে মনে করেন, এগুলি বয়সজনিত স্বাভাবিক পরিবর্তন এবং এড়ানো সম্ভব নয়। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের সমস্যার সঙ্গে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নিয়মিত সঠিক খাবার খেলে হাড়, পেশি ও অস্থিসন্ধি দীর্ঘ দিন সুস্থ ও সক্রিয় রাখা সম্ভব।
শুধু ব্যায়াম করলেই চলবে না (Joint Pain)
অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, হাড় ভালো রাখতে শুধু ব্যায়াম (Joint Pain) করলেই চলবে না। শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করার জন্য খাদ্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলাদা করে কঠিন কোনও ডায়েট মেনে চলার প্রয়োজন নেই। বরং দৈনন্দিন খাবারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান সচেতনভাবে যোগ করলেই উপকার পাওয়া যায়।
গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ক্যালসিয়াম (Joint Pain)
হাড়ের গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল (Joint Pain) ক্যালসিয়াম। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর থেকে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি তৈরি হলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যেতে পারে। তাই দুধ, দই, ছানা, পনির, চিজ, সয়াবিনজাত খাবার এবং বাদাম নিয়মিত খাওয়া দরকার। এই ধরনের খাবার হাড়কে ভিতর থেকে মজবুত করে এবং ভবিষ্যতে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায়।

প্রোটিন অপরিহার্য (Joint Pain)
পেশি ও অস্থিসন্ধির সুস্থতার জন্য প্রোটিন অপরিহার্য। প্রোটিন পেশিকে শক্ত রাখে এবং অস্থিসন্ধির চারপাশের টিস্যুকে সাপোর্ট দেয়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডাল, মাছ, ডিম, কাবলি ছোলা, টোফু, পনির বা মুরগির মাংস রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন পায়। প্রোটিনের অভাবে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে হাঁটু ও অন্যান্য অস্থিসন্ধিতে চাপ বাড়ে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়াও যেতে পারে।
শোষণ করার ক্ষমতা
শুধু ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলেই হবে না, শরীরকে তা শোষণ করার ক্ষমতাও থাকতে হবে। এই কাজে ভিটামিন ডি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সকালের রোদে কিছু সময় কাটালে শরীর নিজেই ভিটামিন ডি তৈরি করে। এছাড়াও ডিমের কুসুম ও মাশরুমের মতো খাবার ভিটামিন ডি-এর উৎস। ঘাটতি বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।

অভ্যন্তরীণ প্রদাহের কারণ
অস্থিসন্ধির ব্যথা ও জড়তা অনেক সময় শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহের কারণে হয়। প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে হলুদ, আদা, পালংশাক, কেল, ব্রকোলির মতো শাকসবজি এবং নানা ধরনের রঙিন ফল। এই খাবারগুলি অস্থিসন্ধিকে নমনীয় রাখে এবং চলাফেরা সহজ করে।
আরও পড়ুন: Amazon: রিপাবলিক ডে-তে বড় অফার! মোবাইলে পাবেন বিশেষ ছাড়!
সব ধরনের চর্বি ক্ষতিকর নয়। কিছু স্বাস্থ্যকর চর্বি অস্থিসন্ধির জন্য উপকারী। চিয়া বীজ, তিসি বীজ, বাদাম ও তেলযুক্ত মাছ অস্থিসন্ধির শুষ্কতা কমায় এবং নমনীয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্টও নেওয়া যেতে পারে।


