Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মাত্র ১০ বছর বয়স, কিন্তু (NASA) কৌতূহলের পরিধি মহাকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে! ছোট্ট কায়লার কাছে ‘প্লুটো’ শুধুই একটা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু নয়-বরং প্রিয় এক গ্রহ, যাকে আবার আগের মর্যাদায় দেখতে চায় সে। আর সেই আবেগ থেকেই সরাসরি চিঠি লিখে ফেলেছে নাসা-কে।
আবেগের সঙ্গে যুক্তি (NASA)
কায়লার প্রশ্নটা খুবই সরল-যে প্লুটো একসময় (NASA) সৌরজগতের নবম গ্রহ ছিল, তাকে কেন ‘ডোয়ার্ফ প্ল্যানেট’ বা বামন গ্রহ বলা হচ্ছে? চিঠিতে সে শুধু আবেগ নয়, যুক্তিও তুলে ধরেছে। জানিয়েছে, প্লুটো আমাদের সৌরজগতের অংশ, তার নিজস্ব উপগ্রহ রয়েছে, আর তার অবস্থান কুইপার বেল্ট-এ। তাই তাকে গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলেই মনে করে কায়লা।
ইতিহাসের কথা (NASA)
এই ছোট্ট মেয়েটির চিঠিতে উঠে এসেছে ইতিহাসের কথাও। ১৯৩০ সালে Clyde Tombaugh প্লুটো আবিষ্কার করেন-এই তথ্যও সে উল্লেখ করেছে নিখুঁতভাবে। এমনকি নিজের হাতের লেখায় ভুল থাকলে তার জন্য আগেভাগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে, যা তার সরলতা ও আন্তরিকতাকে আরও স্পষ্ট করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
সবচেয়ে বড় চমক অবশ্য এসেছে নাসার তরফে। সাধারণ কোনও আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়, বরং কায়লার চিঠিকে গুরুত্ব দিয়ে তারা জানিয়েছে-“আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।” এই ছোট্ট প্রতিক্রিয়াই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।
আরও পড়ুন: Narendra Modi Meeting: এআই দিয়ে ভিডিয়ো বানাচ্ছে তৃণমূল, হুমায়ুন সম্পর্কে মুখ খুললেন মোদি!
একজন ১০ বছরের খুদের এই সাহসী উদ্যোগ যেন মনে করিয়ে দেয়-বিজ্ঞান শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রশ্ন করার মধ্যেই তার আসল সৌন্দর্য। কায়লার এই চিঠি হয়তো প্লুটোর অবস্থান বদলাবে না, কিন্তু কৌতূহল আর শেখার ইচ্ছের যে কোনও বয়স হয় না-সেটা আবারও প্রমাণ করে দিল।


