Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কোরিয়ান নাটক আর ‘কে-পপ’ গানের (Kim Jong Un) প্রতি নয়া প্রজন্মের টান এখন বিশ্বজোড়া। সেই টান কখনও কখনও উদ্বেগও বাড়াচ্ছে-সম্প্রতি গাজিয়াবাদে কোরিয়া যাওয়ার স্বপ্নে তিন বোনের একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনা যেমন প্রশ্ন তুলেছে অভিভাবকদের মনে। কিন্তু এই জনপ্রিয় সংস্কৃতির প্রতি আকর্ষণ যে কোথাও কোথাও মৃত্যুদণ্ডের কারণ হয়ে উঠতে পারে, তা ভাবতেই শিউরে উঠতে হয়। উত্তর কোরিয়ায় ঠিক সেটাই ঘটছে।
ভয়াবহ তথ্য (Kim Jong Un)
মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের (Kim Jong Un) সাম্প্রতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। দেশটি থেকে পালিয়ে আসা ২৫ জনেরও বেশি মানুষের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে, কোরিয়ান ড্রামা দেখা বা ‘কে-পপ’ শোনার অভিযোগে স্কুলপড়ুয়া কিশোর-কিশোরীদের প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই-ভয়ের মাধ্যমে বাকিদের ‘শিক্ষা’ দেওয়া। কোনও গোপন বিচার নয়, কোনও আইনি প্রক্রিয়াও নয়-জনসমক্ষে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে।

কড়া নিয়ন্ত্রণে বাঁধা (Kim Jong Un)
উত্তর কোরিয়ায় নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন কড়া নিয়ন্ত্রণে বাঁধা। কী চুল কাটবে, কী পোশাক পরবে, কী দেখবে বা শুনবে-সবই নির্ধারণ করে দেয় রাষ্ট্র। দক্ষিণ কোরিয়া, আমেরিকা বা ইউরোপীয় সংস্কৃতির প্রবেশ সেখানে নিষিদ্ধ। তবু সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাপথে ঢুকে পড়ছে পেন ড্রাইভ, ক্যাসেট বা সিডি-সঙ্গে জনপ্রিয় কোরিয়ান সিরিজ কিংবা বিটিএস-এর গান। আর ধরা পড়লেই পরিণতি ভয়াবহ।

আরও পড়ুন: Dulal Dey New Film: রাজনীতি, প্রেম আর ক্ষমতার টানাপোড়েন-দুলাল দে’র নতুন ছবি ‘ফাঁদ’
পালিয়ে আসা একাধিক নাগরিক জানিয়েছেন, বাড়িতে হঠাৎ তল্লাশি চালায় পুলিশ। কোথাও বিদেশি গান বা নাটকের প্রমাণ মিললেই গ্রেপ্তার ও ফাঁসি অবধারিত। বাঁচার একমাত্র রাস্তা মোটা অঙ্কের ঘুষ-যার জন্য অনেক পরিবার সর্বস্ব বিক্রি করতেও পিছপা হয় না। তাতেও রেহাই মিললে পাঠানো হয় ‘রি-এডুকেশন ক্যাম্পে’, যেখানে কিশোরদের মাথায় ঢোকানো হয় শাসকের বন্দনা।


