Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভালোবাসার সপ্তাহ মানেই অনুভূতির ধাপে (Kiss Day 2026) ধাপে এগিয়ে যাওয়া। গোলাপের লাজুক শুরু, প্রস্তাবের সাহস, চকোলেটের মিষ্টি আবেশ, আলিঙ্গনের উষ্ণতা-সবকিছুর পর আজ সেই দিন, যা প্রেমকে নিয়ে যায় আরও গভীর এক বন্ধনে। আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি, কিস ডে। ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের এই দিনে প্রেমিক-প্রেমিকারা চুম্বনের মাধ্যমে প্রকাশ করেন নিঃশব্দ ভালোবাসা, যা কথার থেকেও অনেক বেশি অর্থবহ।
আবেগের সঙ্গে বিজ্ঞান (Kiss Day 2026)
চুম্বন শুধুই আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, এর সঙ্গে (Kiss Day 2026) জড়িয়ে আছে বিজ্ঞানও। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চুম্বনের সময় মস্তিষ্কে ডোপামিন ও অক্সিটোসিন নামক ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসৃত হয়। এই হরমোনগুলি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, সম্পর্কের মধ্যে আস্থা বাড়ায় এবং মানুষের মনকে স্বাভাবিক ভাবেই আনন্দমুখর করে তোলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত চুম্বন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হালকা ক্যালোরিও ঝরায়। তাই একে ভালোবাসার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের ছোট্ট উপহার বললেও ভুল হয় না।
চুম্বনের চল বহু প্রাচীন (Kiss Day 2026)
ইতিহাস বলছে, চুম্বনের চল বহু প্রাচীন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মধ্যযুগে এটি ছিল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আচারের অংশ। রোমান সভ্যতায় চুম্বনের আলাদা আলাদা অর্থ ছিল- বন্ধুত্ব, প্রেম ও গভীর ঘনিষ্ঠতার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ধরণ। আধুনিক সময়ে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহে কিস ডে সেই ঐতিহ্যকেই নতুনভাবে উদযাপন করে।
আরও পড়ুন: Rakhi Sawant: জ্যোতিষীর নির্দেশে অন্তর্বাস ছাড়াই ক্যামেরার সামনে রাখি
চুম্বনের ধরনও অনুভূতির মতো বদলে যায়। কপালে চুম্বন মানে সুরক্ষা ও নির্ভরতার আশ্বাস। গালে চুম্বন প্রকাশ করে স্নেহ আর আন্তরিকতা। হাতে চুম্বন বোঝায় শ্রদ্ধা ও মুগ্ধতা। প্রতিটি চুম্বন আলাদা ভাষায় ভালোবাসার কথা বলে। এই কিস ডে-তে বড় কোনও উপহার নয়, একটুকরো আন্তরিক স্পর্শই যথেষ্ট। কারণ কখনও কখনও একটি চুম্বনই বলে দেয়- “তুমি আমার, আর আমি তোমার।”


