Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টাকা-পয়সা বা সোনা-দানা নয় চুরি গেল চকোলেট! তাও আবার এক-দু’ প্যাকেট নয়, গোটা ট্রাক বোঝাই কিটক্যাট (KitKat)। এমন অভিনব চুরির ঘটনায় ইতালি ও পোল্যান্ডের মাঝামাঝি এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনাটি যেমন বিস্ময়কর, তেমনই খানিকটা মজারও কারণ সংস্থার প্রতিক্রিয়াতেও রয়েছে রসিকতার ছোঁয়া।
চুরির টার্গেট: ১২ টন কিটক্যাট! (KitKat)
চুরির ঘটনাটি ঘটেছে ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুটে। জানা গিয়েছে, বহুজাতিক সংস্থা Nestlé-এর কারখানা থেকে প্রায় ১২ টন KitKat চকোলেট ট্রাকে বোঝাই করে বাজারে পাঠানো হচ্ছিল। ২৬ মার্চ সেই ট্রাকটি ইতালি থেকে পোল্যান্ডের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথেই ঘটে যায় অবিশ্বাস্য ঘটনা পুরো চকোলেটের চালান বেমালুম উধাও! এত বড় পরিমাণ মাল চুরি হওয়া সত্ত্বেও কোনও রকম স্পষ্ট সূত্র মেলেনি।
নিখুঁত পরিকল্পনা, নেই কোনও ক্লু (KitKat)
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল, এই চুরি এতটাই নিখুঁতভাবে করা হয়েছে যে স্থানীয় পুলিশ কিংবা সংস্থা কেউই এখনও পর্যন্ত চোরদের হদিশ পায়নি। না কোনও ভাঙচুরের চিহ্ন, না কোনও প্রত্যক্ষদর্শী সব মিলিয়ে যেন সিনেমার গল্প! এই ঘটনাটি স্পষ্ট করে দেয় যে চুরিটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং পেশাদার চক্রের কাজ।
নেসলের মজার প্রতিক্রিয়া (KitKat)
ঘটনার পর Nestlé-এর পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তা কিন্তু বেশ হাস্যরসাত্মক। তাদের জনপ্রিয় স্লোগান,
“Have a Break, Have a KitKat” এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন অর্থ পেয়েছে। সংস্থার বক্তব্য: “চোরেরা বোধহয় আমাদের বার্তাকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছে। তাই একটু ‘বিরতি’ নিতে গিয়ে ১২ টনের বেশি কিটক্যাট নিয়ে নিয়েছে! তাদের রুচিবোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।” এই রসিক মন্তব্য সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
গ্রাহকদের জন্য সতর্কবার্তা (KitKat)
মজার প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি সংস্থা কিন্তু সতর্কতাও জারি করেছে। চুরি যাওয়া চকোলেটগুলির নির্দিষ্ট ব্যাচ কোড রয়েছে। তাই গ্রাহক, খুচরো ও পাইকারি বিক্রেতাদের বলা হয়েছে, কিটক্যাট কেনার আগে প্যাকেটের কোড পরীক্ষা করুন, সন্দেহজনক কিছু মনে হলে সংস্থাকে জানান এতে চুরি হওয়া মাল বাজারে ঢুকে পড়লে তা শনাক্ত করা সহজ হবে।
আরও পড়ুন: Sandy Saha: কী হয়েছিল সেই ৪০ মিনিটে… স্যান্ডির বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়
বাজারে প্রভাব পড়বে না
এত বড় চুরির পরেও Nestlé জানিয়েছে, বাজারে চকোলেটের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থাৎ সাধারণ ক্রেতাদের কোনও অসুবিধা হবে না। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে মিমের বন্যা। কিছু মজার প্রতিক্রিয়া, “চোররা হয়তো ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছে চকোলেটের বিছানায় ঘুমোনোর!” “এত কিটক্যাট দিয়ে কি করবে? নিজেরাই কারখানা খুলবে নাকি?” “এটা চুরি নয়, ‘চকোলেট রেসকিউ মিশন’!”



