Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার ভরদুপুরে হঠাৎই ভূমিকম্পের (Kolkata Earthquake) কম্পনে কেঁপে উঠল কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। দুপুর ১টা ২২ থেকে ১টা ২৩ মিনিটের মধ্যে কয়েক সেকেন্ড ধরে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল প্রায় ৫ থেকে ৫.৩। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের খুলনা, যা পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
কম্পন অনুভূত হতেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে (Kolkata Earthquake)
কম্পন অনুভূত হতেই শহরের বিভিন্ন বহুতল (Kolkata Earthquake) আবাসন, অফিস এবং বাণিজ্যিক ভবনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তড়িঘড়ি লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসেন। বহুতল ভবনের বাসিন্দারা নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন। কোথাও কোথাও বন্ধ থাকা সিলিং ফ্যান দুলতে দেখা যায়, আবার কয়েকটি পুরনো বাড়িতে ফাটল বা হেলে পড়ার আশঙ্কার খবরও সামনে এসেছে।

কোথায় কোথায় অনুভূত কম্পন? (Kolkata Earthquake)
কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, (Kolkata Earthquake) পশ্চিম মেদিনীপুর এবং অন্যান্য দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। মেদিনীপুর শহরে জেলা শাসকের দফতরের কর্মীরাও কম্পন টের পেয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকাতেও একই ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।
উৎসস্থল কোথায়?
সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল। ফলে কম্পনের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উৎসস্থল খুলনায় হওয়ায় বাংলাদেশে কম্পনের প্রভাব আরও বেশি ছিল। অনেকের মতে উৎসস্থল সাতক্ষীরা। বসিরহাটের টাকির কথাও উঠে এসেছে উৎসস্থলের কেন্দ্র হিসেবে। সঠিক উৎসস্থল এখনও জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: Supreme Court: এসআইআর নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য
এখনও পর্যন্ত বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্প-পরবর্তী আফটারশক সংক্রান্ত আপডেট জানতে সরকারি সিসমোলজি ওয়েবসাইট বা ‘BhooKamp’ অ্যাপ ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা গুজব না ছড়ানোর পাশাপাশি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।



