Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বজুড়ে একসময় লাবুবু (Labubu) খেলনা নিয়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা এখনও আলোচনার কেন্দ্রে। রিহানা, দুয়া লিপা থেকে শুরু করে ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসার হাতেও দেখা গেছে এই কিউট কিন্তু একটু ভৌতিক চেহারার মনস্টার ডল। চিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অগণিত ভক্তের মন জয় করেছে লাবুবু(Labubu)।
আলোর নীচে অন্ধকার (Labubu)
তবে এই জনপ্রিয়তার আড়ালে উঠে এসেছে এক অন্ধকার দিক। নিউইয়র্কভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা চায়না লেবার ওয়াচ (CLW)-এর এক তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, চিনের জিয়াংসি প্রদেশের গানঝৌ শহরে অবস্থিত শুন্জিয়া টয়েজ কারখানায় লাবুবু খেলনা তৈরিতে নাবালক শ্রমিকদের কাজে লাগানো হচ্ছে। এই কারখানায় প্রায় ৪,৫০০ কর্মী কাজ করেন।
খেলনা তৈরিতে নাবালক শ্রমিক (Labubu)
CLW জানিয়েছে, ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী কর্মীদের সেখানে নিয়োগ করা হয়েছে। যদিও এটি চীনা আইনে পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়, তবে এই বয়সের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা থাকার কথা। তদন্তকারীরা ৫০ জনের বেশি কর্মীর সাক্ষাৎকার নেন, যার মধ্যে তিনজন নাবালক। অভিযোগ, শ্রমিকদের শ্রম দালালের মাধ্যমে নিয়োগ করে ফাঁকা চুক্তিপত্রে সই করানো হয়েছে। কাজের ধরন, বেতন, চুক্তির মেয়াদ বা বিমা—কিছুই লেখা ছিল না।
অবাস্তব লক্ষ্য পূরণে চাপ (Labubu)
আরও অভিযোগ, নাবালক কর্মীদের সাধারণ অ্যাসেম্বলি লাইনে সমান কাজ ও লক্ষ্য পূরণের চাপ দেওয়া হয়েছে। দৈনিক ৪,০০০ লাবুবু তৈরির মতো অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। লক্ষ্য পূরণ না হলে শাস্তি হিসেবে ওভারটাইম করানো হতো, অথচ অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক অনেক সময় দেওয়া হয়নি। মাসে ১০০ ঘণ্টার বেশি ওভারটাইমের কথাও উঠে এসেছে।
আরও পড়ুন: Iran Situation: কোন পথে ইরান : সরকারের পতনে মুক্তি না স্থিতিহীনতা? জল্পনা সব মহলে
অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস (Labubu)
পপ মার্ট অবশ্য অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেই লাবুবু থেকে পপ মার্টের আয় হয়েছে প্রায় ৫৯৫ মিলিয়ন ডলার। তবে সম্প্রতি নকল ‘লাফুফু’ বাজারে আসা ও আগ্রহ কিছুটা কমার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, লাবুবু উন্মাদনা হয়তো ধীরে ধীরে ম্লান হতে শুরু করেছে।



