Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ২০০০ সালের লালকেল্লা সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মহম্মদ আরিফ ওরফে আশফাকের করা কিউরেটিভ পিটিশন গ্রহণ করেছে(Lalkella)। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ আদালত এই মামলায় দিল্লি সরকারের কাছে নোটিস জারি করেছে। আরিফের আইনজীবীদের যুক্তি শোনার পর আদালত এই নির্দেশ দেয়।
রিভিউ পিটিশন খারিজ হওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ (Lalkella)
আরিফের আগের রিভিউ পিটিশন খারিজ হওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এই কিউরেটিভ পিটিশন। লালকেল্লা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের রায় আগেই বহাল ছিল। প্রায় ২৬ বছর আগে, ২০০০ সালের ২২ ডিসেম্বর দিল্লির লালকেল্লার ভিতর ৭ রাজপুতানা রাইফেলস ইউনিটে হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেই হামলায় তিন ভারতীয় সেনা নিহত হন।
কিউরেটিভ পিটিশনের শুনানি (Lalkella)
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি জে.কে. মহেশ্বরীকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ এই কিউরেটিভ পিটিশনের শুনানি করে। শুনানির সময় আরিফের পক্ষের আইনজীবী যুক্তি দেন, সাম্প্রতিক সুপ্রিম কোর্টের রায় বিশেষ করে মনোজ বনাম হরিয়ানা রাজ্য মামলার সিদ্ধান্ত কিউরেটিভ পর্যায়েও পুরনো মামলাগুলি নতুন করে বিবেচনার সুযোগ দেয়।
কিউরেটিভ পিটিশনের পরিধি অত্যন্ত সীমিত (Lalkella)
তবে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কিউরেটিভ পিটিশনের পরিধি অত্যন্ত সীমিত। শুধুমাত্র তখনই এই ধরনের আবেদন গ্রহণযোগ্য হয়, যখন কোনও গুরুতর বিচারবিভ্রাট বা ন্যায়বিচারের চরম ব্যর্থতার সম্ভাবনা থাকে। সব যুক্তি শোনার পর বেঞ্চ সংক্ষিপ্তভাবে বলে, “নোটিস জারি করা হোক।” এর জবাবে আরিফের পক্ষের আইনজীবী বলেন, “মোস্ট গ্রেটফুল।”
আগেও রিভিউ পিটিশন খারিজ (Lalkella)
এর আগে, ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট আরিফের রিভিউ পিটিশন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। এরপর ২০২৪ সালের জুনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর দয়া আবেদনও খারিজ করেন। সেই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কার্যত নির্বাহী স্তরে সব সুযোগ শেষ হয়ে যায়। তবুও, শেষ আশ্রয় হিসেবে আরিফ এখন কিউরেটিভ পিটিশনের মাধ্যমে আবারও পর্যালোচনার আবেদন জানিয়েছেন।



