Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কানপুরের বহুল আলোচিত ল্যাম্বরগিনি দুর্ঘটনা মামলায় অবশেষে গ্রেফতার হলেন শিবম মিশ্র(Lamborghini Crash)। তামাক টাইকুন কেকে মিশ্রের ছেলে শিবমকে বৃহস্পতিবার সকালে একটি হাসপাতাল থেকে আটক করে পুলিশ।
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ল্যাম্বরগিনির ধাক্কা (Lamborghini Crash)
গত রবিবার দুপুরে কানপুরের ভিআইপি রোডে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি দামের ইতালীয় বিলাসবহুল গাড়ি ল্যাম্বরগিনি রেভুয়েল্টো দ্রুতগতিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারী ও একাধিক গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সি ই-রিকশা চালক মহম্মদ তৌফিক পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ ওঠার পর শিবম পলাতক
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দাবি করা হয়, দুর্ঘটনার সময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন শিবম মিশ্রই। তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানো, মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং বিপজ্জনক উপায়ে আঘাত করার মতো ধারায় মামলা রুজু হয়। এদিকে অভিযোগ ওঠার পর থেকেই শিবম পলাতক ছিলেন।
ঘটনায় নাটকীয় মোড় (Lamborghini Crash)
বুধবার ঘটনায় নাটকীয় মোড় আসে। ‘মোহন’ নামে এক ব্যক্তি কানপুর আদালতে হাজির হয়ে দাবি করেন, দুর্ঘটনার সময় গাড়ি তিনিই চালাচ্ছিলেন। নিজেকে ‘ড্রাইভার’ পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, দুর্ঘটনার ঠিক আগে শিবম মিশ্র হঠাৎ খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয়ে তার ওপর পড়ে যান। শিবমের পরিবার আগে থেকেই জানিয়েছিল, তিনি মৃগী রোগে ভুগছেন।
শিবমকে সামলাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান (Lamborghini Crash)
মোহনের দাবি, খিঁচুনির কারণে তিনি ভয় পেয়ে এক হাতে শিবমকে সামলাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান এবং গাড়িটি একটি থ্রি-হুইলারে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পর গাড়ির অটো-লকিং সিস্টেমের কারণে তিনি সঙ্গে সঙ্গে বেরোতে পারেননি বলেও জানান। পরে গাড়ির ভেতরেই শিবমকে ড্রাইভারের সিটে সরিয়ে দেন।
আরও পড়ুন: Higher Secondary: শুরু উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমেস্টার, তিন ধরনের পরীক্ষা একই সঙ্গে চালু
মোহনের আত্মসমর্পণ গ্রহণ করেনি পুলিশ (Lamborghini Crash)
তবে পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের ভিডিওসহ প্রমাণে স্পষ্ট যে দুর্ঘটনার পর শিবমকেই ড্রাইভারের সিট থেকে বের করা হয়। পুলিশের এই অবস্থানের ভিত্তিতে আদালত মোহনের আত্মসমর্পণ গ্রহণ করেনি এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



