Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইজরায়েল (LPG Double Cylinder) সংঘাতের আবহে এবার তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। বিশেষ করে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে নতুন করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাময়িকভাবে নতুন করে ডবল সিলিন্ডার সংযোগ না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ যেসব গ্রাহকের বাড়িতে একটি সিলিন্ডার রয়েছে, তাঁরা আপাতত দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও তা মঞ্জুর করা হবে না। তেল সংস্থাগুলি ডিস্ট্রিবিউটরদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছে।
বন্ধ হরমুজ প্রণালী (LPG Double Cylinder)
মূলত জোগান ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে এবং (LPG Double Cylinder) অযথা মজুত রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলে যদি দীর্ঘদিন বাধা তৈরি হয়, তবে তার প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারে পড়তে বাধ্য। ভারতের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আলাদা নয়। দেশের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় এবং তার বড় অংশই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে। এই জাহাজগুলির বেশিরভাগই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।
কত এলপিজি মজুত?
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় এক মাসের মতো এলপিজি মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাহাজ না পৌঁছলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে। এই আশঙ্কাতেই অনেক গ্রাহক আগেভাগে সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। ফলে বাজারে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjees Dharna: ধর্নামঞ্চে গায়ক সুমন, কবি জয়কে দেখে আবেগতাড়িত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
তেলের দাম বাড়বে?
অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়াতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে অনেকেই পেট্রল পাম্পে গিয়ে গাড়ির ট্যাঙ্ক ভরে নিচ্ছেন। যদিও পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে জ্বালানির ঘাটতির কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা হতে পারে।


