Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইন্ডিগো বিমান সংস্থার সাম্প্রতিক বিভ্রাট নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যাত্রী পরিষেবা বিবেচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, অন্তত ১৫-২০ দিনের আগে পরিকল্পনা নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের পর এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা যেত। কিন্তু তা না-করেই যাত্রীদের সমস্যায় ফেলে সরকার এই নয়া বিধি কার্যকর করেছে।
সোমবার দুপুরে উত্তরবঙ্গ সফর (Mamata Banerjee)
সোমবার দুপুরে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ সফরে রওনা দেওয়ার আগে দমদম বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, “আমার খুব খারাপ লাগছে। কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই বেশিরভাগ বিমান বন্ধ করা হয়েছে, যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি অভিযোগ করেন, যেসব বিমান পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর ভাড়া প্রচণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ভাড়া প্রায় ৩,০০০ টাকা হওয়ার কথা, সেখানে এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০,০০০ টাকায়। এর ফলে সাধারণ যাত্রীরা কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন।

কেন্দ্রকে একের পর এক আক্রমণ (Mamata Banerjee)
মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) উল্লেখ করেন, সম্প্রতি একটি দম্পতি তাদের বিয়ের রিসেপশনে পৌঁছাতে পারেননি এবং শেষ পর্যন্ত ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কখনও এমন অচলাবস্থা দেখিনি। এটি একধরনের বিপর্যয়।” এর পরেই তিনি কেন্দ্রকে একের পর এক আক্রমণ করেন এবং ভুক্তভোগী যাত্রীদের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি তোলেন।
যাত্রীদের ক্ষতিপূরণের দাবি
মমতার বক্তব্য, “যাত্রীদেরও সময়ের মূল্য আছে। ব্যবসায়িক কারণে অনেক মানুষ বিমান ব্যবহার করেন। যদি তাদের উদ্দেশ্য ফলপ্রসূ না হয়, তাহলে ৭-৮ দিন ধরে কতজন ভুগছে। বিমানবন্দরে হাজার-হাজার মানুষকে বসে থাকতে হচ্ছে, তাঁরা ক্ষুব্ধ এবং হয়রান হচ্ছেন।” তিনি বলেন, কেন্দ্রের উচিত অন্তত অর্ধেক বিমান সচল রাখা এবং বাকিটির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা।

আরও পড়ুন: Big Boss 19 Winner 2025: বিগ বস ১৯-এর ট্রফি জিতলেন গৌরব, ফাইনালে জমজমাট অনুষ্ঠান!
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনস’ নামে নতুন বিধি প্রণয়ন করে। নভেম্বর থেকে তা কার্যকর হওয়ায় ইন্ডিগোর জন্য উড়ান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ইন্ডিগো সস্তায় রাতের সময় বিমান পরিষেবা প্রদান করায় এই নতুন বিধি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে। পাইলট এবং বিমানকর্মীদের সংখ্যা পর্যাপ্ত না হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।


