Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (Mamata Banerjee) নিয়ে ফের ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, তৃণমূল কংগ্রেস এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে এবং SIR কোনওভাবেই দু’-তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, এই ধরনের সমীক্ষা সম্পূর্ণ করতে অন্তত তিন থেকে চার বছর সময় লাগে।
রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক (Mamata Banerjee)
সম্প্রতি বিহারে ভোটার তালিকার নিরীক্ষণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে (Mamata Banerjee) বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি, এই বিষয়ে সরব হয়েছে তৃণমূলও। এই প্রেক্ষিতেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, “এসআইআর একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। দু’-তিন মাসে এটি শেষ করা যায় না। এতে বহু মানুষের উপর প্রভাব পড়ে।”
আধার কার্ড প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট ভোটার তালিকায় আধার কার্ড সংযুক্তির (Mamata Banerjee) অনুমতি দিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আধার কার্ড এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র। তাঁর বক্তব্য, “যাঁদের আধার নেই, তাঁরা করে নেবেন। তবে ভোটার কার্ডকেও বৈধ পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য করা উচিত।” তিনি সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আধার সংযুক্তি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, এটি মাথায় রাখা উচিত।

নেপাল প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী
এর পাশাপাশি, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে নেপালের চলমান অস্থিরতা নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নেপাল আমাদের প্রতিবেশী দেশ হলেও, ওটা আমাদের দেশের অংশ নয়। তাই এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা আমার উচিত নয়। কেন্দ্র সরকার যদি কোনও অবস্থান নেয়, তাহলে আমরা বিবেচনা করব।”
আরও পড়ুন: Modi in WB: রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, হঠাৎ কেন বঙ্গ সফর?
তবে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, “শিলিগুড়ি ও কালিম্পঙের মতো এলাকা যেগুলি নেপালের সীমান্তবর্তী, সেখানে যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে, সে দিকে রাজ্য সরকার নজর রাখছে।” উত্তরবঙ্গ সফরের প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, “আজই (মঙ্গলবার) বাগডোগরা পৌঁছাব। কাল শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে। সেখানে উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হবে।” তিনি জানান, জলপাইগুড়িতে প্রায় ১১ হাজার জমির পাট্টা তৈরি হয়েছে এবং সেগুলি স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “এই ধরনের প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবন বদলে দেয়। বৃহস্পতিবারই কলকাতায় ফিরে আসব।”


