Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : এবছর নিট পরীক্ষায় বসেছিলেন, পুরুলিয়ার চন্দন মাঝি। নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পিডব্লিউডি মেডিক্যাল ভেরিফিকেশনে আটকে যান (Medical Admission)। অবশেষে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) হস্তক্ষেপে স্বপ্নপূরণ পুরুলিয়ার যুবকের। পুরুলিয়ার বাগমুন্ডির একটি ছোট্ট গ্রামের বাসিন্দা চন্দন মাঝির ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু ২০১৫ সালের একটি দুর্ঘটনায় তার দুই পা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও হল ছাড়েননি তিনি।
অবিচল থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যান চন্দন (Medical Admission)
শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করেই স্বপ্ন পূরণে অবিচল থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যান চন্দন(Medical Admission)। এবছর ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যালে নিট-পরীক্ষায় বসেছিলেন পুরুলিয়ার যুবকটি।কিন্তু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কারণে ডাক্তারিতে ভর্তি হতে পারেননি চন্দন মাঝি। তাঁকে বলাহয়, ডাক্তার হওয়ার জন্য যে শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজন তা চন্দনের নেই। তবুও হআল ছাড়েননি তিনি। স্বপ্ন পূরণের জন্য আদালতেরও দ্বারস্থ হন। এই স্বপ্ন পূরণের লড়াই নিয়ে চন্দন কী বলেছেন শোনাবো আপনাদের।
ডাইরেক্টর অফ মেডিক্যাল এডুকেশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ
এরপরই ডাইরেক্টর অফ মেডিক্যাল এডুকেশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে চন্দন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন(Medical Admission)। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর মানবিক নির্দেশে আবারও শারীরিক সক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ পান তিনি। গত ১১ই সেপ্টেম্বর বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু মানবিক দিক বিবেচনা করে চন্দন যাতে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পান, তার ব্যবস্থা করতে রাজ্যকে নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন : World Championships : শেষ করলেন অষ্টমে, ৭ বছরে প্রথমবার পদক ছাড়াই ফিরতে হল নীরজকে
পুনরায় শারীরিক সক্ষমতা প্রমাণ (Medical Admission)
এরপর ডাইরেক্টর অফ মেডিক্যাল এডুকেশনের তরফে এই ডাক্তারি পড়ুয়াকে বলা হয়, দেশের ১৫ টি মেডিকেল কলেজের যেকোনো একটি থেকে শারীরিক সক্ষমতা প্রমাণ করিয়ে আনতে হবে(Medical Admission)। এরপরই দিল্লির লেডি হার্ডিন মেডিকেল কলেজ থেকে শারীরিক সক্ষমতা প্রমাণ করে বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়া হিসেবে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পান চন্দন। কলকাতা হাইকোর্টে এই মানবিক রায়ে আবারও নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়ে খুশি পুরুলিয়ার চন্দন মাঝি ও তাঁর পরিবার।
আরও পড়ুন : Taliban Wifi Ban : আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ ওয়াইফাই! তালিবান সরকারের নতুন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা (Medical Admission)
শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করেই স্বপ্ন পূরণে অবিচল থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যান চন্দন(Medical Admission)। এবছর ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যালে নিট-পরীক্ষায় বসেছিলেন পুরুলিয়ার যুবকটি।কিন্তু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কারণে ডাক্তারিতে ভর্তি হতে পারেননি চন্দন মাঝি। তাঁকে বলাহয়, ডাক্তার হওয়ার জন্য যে শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজন তা চন্দনের নেই। তবুও হআল ছাড়েননি তিনি। স্বপ্ন পূরণের জন্য আদালতেরও দ্বারস্থ হন। এই স্বপ্ন পূরণের লড়াই নিয়ে চন্দন কী বলেছেন শোনাবো আপনাদের।


