Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের বিরুদ্ধে মেগা ফাইনালে নামার আগে হুঙ্কার দিলেন ব্ল্যাক ক্যাপ অধিনায়ক স্যান্টনার (Mitchell Santner)।
নিউ জিল্যান্ড অধিনায়কের হুঙ্কার (Mitchell Santner)
২০২৩ সালের বিশ্বকাপ আজও ভারতীয় সমর্থকদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। সেদিন অজি অধিনায়ক কামিন্স বলেছিলেন ফাইনালে তাঁরা ভারতীয় সমর্থকদের চুপ করাতে প্রস্তুত। করেও দেখিয়েছিলেন সেটা। সেদিন ভারতের বাতাসে বেজেছিল ‘হৃদয় ভাঙার গান।’ তারপর ক্রিকেটের গলিপথ থেকে রাজপথ দিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক দূর। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের কাছে হারতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। অজি অহংকার ভেঙেছে গ্রুপ পর্বেই। সবাইকে চমকে দিয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই অস্ট্রেলিয়া বিদায় (Mitchell Santner)।
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত শুরু করেছিল অন্যতম ফেভারিট হিসেবে। প্রত্যাশামতো ফাইনালেও উঠেছে ভারত। তবে এবার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ নিউ জিল্যান্ড। আর এই মেগা ফাইনালের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সকল ক্রিকেটপ্রেমীরা। আর মাঠে বল গড়ানোর আগেই ভারতীয় শিবিরের জন্য হুঙ্কার দিয়ে রাখলেন নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।
আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, যেখানে ভারতের জন্য সুখকর স্মৃতি নেই। তবে ভারত যেভাবে লড়াই করে ফাইনালে উঠেছে সেখান থেকেই এই পরিসংখ্যান ভুলে ভারতীয় সমর্থকরা তাকিয়ে রয়েছেন ২০২৪ সালের পুনরাবৃত্তির দিকে। তার আগে কিউয়ি অধিনায়ক স্যান্টনার ভারতীয় শিবিরকে হুমকি দিয়ে রাখলেন। বললেন, অনেকের হৃদয় ভেঙে দেবেন তাঁরা।

ইডেনের প্রথম সেমিফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের কাছে অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করল প্রোটিয়া ব্রিগেড, তবে বলা ভাল নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেনের কাছে আত্মসমর্পণ করেন মিলাররা। ৩৩ বলে ১০০ রান করে ফিন অ্যালেন অপরাজিত থেকে যান। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি বাউন্ডারি ও ৮টি ওভার বাউন্ডারিতে। নক আউট পর্বে অ্যালেনের এই ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ভাঙেন বেথেল। ১০৫ রানের ইনিংস এখন টি-টোয়েন্টির মঞ্চে নক আউট পর্বে সর্বোচ্চ (Mitchell Santner)।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্যাট কামিন্স ভারতীয় সমর্থকদের চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন। গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করে হার মানতে হয়েছিল ভারতকে। এবারও সেই একই ঘটনা ঘটানোর চেষ্টায় ব্ল্যাক ক্যাপ শিবির। ম্যাচের আগে স্যান্টনার বলছেন, ‘দর্শকদের স্তব্ধ করিয়ে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু ক্রিকেটে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ভারতের মাটিতে জেতার চাপ রয়েছে।’

ঠান্ডা মাথায় ঘুঁটি সাজানো স্যান্টনার বলছেন, ‘এবারের বিশ্বকাপে দেখা যাচ্ছে দলগুলোর মধ্যে ব্যবধান কেবল উনিশ আর বিশ। এমনও অনেক ম্যাচ রয়েছে যেখানে একটা মুহূর্তে ম্যাচের ভোল বদলে গিয়েছে। ইংল্যান্ড প্রায় রান তাড়া করে জিতে নিচ্ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে ওরা হেরে গেল। ফলে আমরা যদি নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী খেলতে পারি, তাহলে আপসেট করতেই পারি।’
আরও পড়ুন: Droupadi Murmu: বঙ্গ সফরে এসে মমতায় ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপতি মুর্মু!
ঘরের মাঠে খেলছে ভারত। ফলে ভারতের উপরে প্রত্যাশার চাপ বেশি। স্যান্টনার বলছেন, ‘বিশ্বজয়ের জন্য ভারতের উপরে চাপ বেশি। আমরা যদি ভারতের উপরে আরও চাপ বাড়াব, তার পরে দেখা যাক কী হয়।’ স্যান্টনার একপ্রকার হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন সূর্যদের। একই কথা শোনা গিয়েছে ভারতের প্রতিবেশী দেশের প্রাক্তনীদের থেকে। তবে কে সেদিন স্তব্ধ হয় সেটা ঠিক হবে রবিবার। তবে তার আগে যে উত্তেজনার পারদ বাড়ছে সেটার আঁচ এখন সর্বত্র (Mitchell Santner)।


