Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লিতে গড়ে উঠতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাদুঘর যুগে যুগীন ভারত ন্যাশনাল মিউজিয়াম(Museum)। সেন্ট্রাল ভিস্তা রিডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এলাকায় নির্মিত এই জাদুঘরের আয়তন হবে প্রায় ১.৫৫ লক্ষ বর্গমিটার। টাইমআউটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখানে ভারতের ৫,০০০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরতে রাখা হবে লক্ষাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন।
‘চিরন্তন ভারত’ (Museum)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন সদর দফতর ও এই জাদুঘরের মাধ্যমে দেশ ঔপনিবেশিক অতীত থেকে সরে আসছে। “যুগে যুগীন ভারত” নামের অর্থ ‘চিরন্তন ভারত’, যা সিন্ধু সভ্যতা থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত ভারতের অবিচ্ছিন্ন সাংস্কৃতিক ধারাকেই তুলে ধরবে।
নর্থ ও সাউথ ব্লক জুড়ে জাদুঘর (Museum)
রাষ্ট্রপতি ভবনের আশপাশে অবস্থিত নর্থ ও সাউথ ব্লক জুড়ে এই জাদুঘর তৈরি করছে সংস্কৃতি মন্ত্রক। এখানে থাকবে প্রায় ৩০টি গ্যালারি যা আটটি থিম্যাটিক জোনে বিভক্ত। জাতীয়, রাজ্য ও এএসআই পরিচালিত বিভিন্ন জাদুঘর থেকে বাছাই করে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ নিদর্শন প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে থাকবে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, মুদ্রা, ভাস্কর্য, মুরাল, প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার ও আধুনিক ডিজিটাল ইনস্টলেশন। উল্লেখযোগ্য সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে কালিবঙ্গনের সিন্ধু সভ্যতার টেরাকোটা শিল্প, গুপ্তযুগের ভাস্কর্য ও চোল আমলের বিখ্যাত ব্রোঞ্জ মূর্তি।
ইন্দো-ফরাসি সহযোগে মিউজিয়াম (Museum)
এই প্রকল্পে রয়েছে ইন্দো-ফরাসি সহযোগিতা। ফরাসি মিউজিয়ামস ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে প্রযুক্তিগত চুক্তি হয়েছে, আর নকশার দায়িত্বে রয়েছে আর্কপ অ্যাসোসিয়েটস ও খ্যাতনামা স্থপতি কুলাপাত ইয়ান্ত্রাসাস্ত। নর্থ ও সাউথ ব্লককে যুক্ত করতে একটি ভূগর্ভস্থ করিডর তৈরির পরিকল্পনাও চলছে।
আরও পড়ুন: Chabahar Port: ইরানের চাবাহার বন্দরে কাজ জারি রাখতে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা, জানাল ভারত
বছরে প্রায় এক কোটি দর্শক! (Museum)
সম্পূর্ণ চালু হলে বছরে প্রায় এক কোটি দর্শক আসার আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রথম ধাপ খুলে দেওয়ার লক্ষ্য। চালু হলে আয়তনের দিক থেকে লুভরকেও ছাড়িয়ে যাবে এই জাদুঘর, এবং দিল্লিকে আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক পর্যটনের অন্যতম কেন্দ্র করে তুলবে।



