Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
অভিজিৎ লুইস: ফের দিল্লি কাণ্ডে বাংলা যোগ (Delhi)। শুক্রবার উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা সংলগ্ন সুর্যাপুর থেকে চিকিৎসক জানিসার আলমকে আটক করা হয়। আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া চিকিৎসককে সন্দেহভাজনদের নিয়ে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করে এনআইএ এবং পুলিশ। এবার নদিয়ার পলাশিপাড়ার সঙ্গেও দিল্লি পিস্ফোরণ যোগ সামনে এল।
নদিয়ার দিল্লি যোগ! (Delhi)
এলাকার বড় নলদহের বাসিন্দা সাবির আহমেদ মাদক বিরোধী আইনে (Delhi) প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি। তার সঙ্গে দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের যোগ মিলেছে। জেলে তাকে দফায় দফায় জেরা করেছেন রাজ্য ও কেন্দ্রের গোয়েন্দারা। এর পাশাপাশি তার ভাই ফাইসাল আহমেদকেও এসটিএফ বৃহস্পতিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে গিয়েছে। সাবির জেলে বসেই বিভিন্ন গ্রুপে ভারত বিরোধী ও জঙ্গী মতাদর্শ প্রচার করতো বলে জানা গিয়েছে।
গোয়েন্দাদের নজরে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Delhi)
দিল্লি বিস্ফোরণে গোয়েন্দাদের রাডারে হরিয়ানার সেই আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে (Delhi) আগেই সাসপেন্ড করেছিল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে জোড়া এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা। সূত্রের খবর, প্রথমটি প্রতারণা এবং দ্বিতীয়টি জালিয়াতির অভিযোগে। ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধার, বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের গ্রেফতারি তারপর দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গেই জড়িয়ে যায় আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম।
সূত্রের খবর
সূত্রের খবর, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক রয়েছে এই নাশকতার পিছনে। যদিও বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তারা সাফ জানিয়েছে, ধৃতদের সঙ্গে হাসপাতালের কোনও সম্পর্ক নেই। তাদের দাবি, ধৃতরা ওই হাসপাতালে কাজ করতেন। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই।
আরও পড়ুন: SSC Result: SSC-র ইন্টারভিউ তালিকায় নেই আন্দোলনকারীদের বহু মুখ, নতুন তালিকা ঘিরে তীব্র অসন্তোষ!
জঙ্গি যোগে আল ফালাহ
দিল্লি বিস্ফোরণের আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবি এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। গত চার দিনে ৮ জনেরও বেশি চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই নাশকতা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সকলের সঙ্গেই কোনও না কোনওভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। তাতেই বাড়ছে সন্দেহ। তাহলে কি নামেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর তার আড়ালে চলত ‘জঙ্গি মডিউল’? উঠেছে প্রশ্ন।


