Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান মধ্যপ্রাচ্য (Narendra Modi) যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির ওপর গভীর ছাপ ফেলতে পারে, আর তার ঢেউ এসে লাগতে পারে ভারতের অর্থনীতিতেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে জ্বালানি খাতে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে ভারতের অর্থনীতির ওপর।
দেশবাসীকে সতর্কবার্তা (Narendra Modi)
সম্প্রতি লোকসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দেশবাসীকে আগাম সতর্ক করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাস পরিবহণে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এই প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ, ফলে এখানে সমস্যা তৈরি হলে তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়া স্বাভাবিক।

বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার আশংকা (Narendra Modi)
গ্রীষ্মের শুরুতেই ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে শুরু (Narendra Modi) করেছে। তাপমাত্রা যত বাড়বে, বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপও তত বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে কোনও ঘাটতি তৈরি হলে তা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে, ফলে তাৎক্ষণিক সংকটের আশঙ্কা কম।
কৌশলগত পদক্ষেপ
সরকার ইতিমধ্যেই কিছু কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ বাড়ানো হচ্ছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে জ্বালানির জোগান বজায় রাখা যায়। পাশাপাশি, আমদানির উৎসও বৈচিত্র্যময় করা হয়েছে-একাধিক দেশের সঙ্গে জ্বালানি চুক্তি থাকায় নির্ভরতা কমেছে কোনও একক অঞ্চলের ওপর।

এছাড়া, গত এক দশকে ভারতের তেল শোধন ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনৈতিক স্তরেও ভারত বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে, যাতে সরবরাহ চেইন অক্ষুণ্ণ থাকে।


