Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে (Narendra Modi)। আন্তর্জাতিক সংঘাতের জেরে জ্বালানি সরবরাহে টান পড়ায় ভারতের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির হেঁশেলে নেমেছে এক অদৃশ্য চাপ। রান্নার গ্যাসের ঘাটতি, বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদা বৃদ্ধি এবং গ্রীষ্মের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বিপাকে পরিবার থেকে রেস্তরাঁ (Narendra Modi)
বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডারের অপ্রতুলতা বহু জায়গায় স্পষ্ট। অনেক পরিবার সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না, যার ফলে দৈনন্দিন রান্নাবান্না কার্যত ব্যাহত হচ্ছে। শুধু বাড়িতেই নয়, ছোট রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানগুলিও পড়েছে সমস্যায়। অনেক জায়গায় রান্না বন্ধ বা সীমিত করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে অনেকেই ইন্ডাকশন চুলা ও মাইক্রোওয়েভের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এর ফলে বাড়ছে বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা।
গরমের মরশুমে নতুন আশঙ্কা (Narendra Modi)
সামনেই গ্রীষ্মকাল। এই সময় স্বাভাবিকভাবেই পাখা, কুলার ও এসির ব্যবহার বেড়ে যায়। তার উপর রান্নার জন্য বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের মোট চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে গ্যাসের পর কি বিদ্যুতেও সঙ্কট দেখা দেবে?

অভয়বাণী নরেন্দ্র মোদি-র (Narendra Modi)
এই আশঙ্কার আবহেই সংসদে দাঁড়িয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, গ্রীষ্মের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলার জন্য সরকার প্রস্তুত। তার কথায়, দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত কয়লার মজুত রয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ফলে তাৎক্ষণিক কোনও বড় সঙ্কটের আশঙ্কা নেই বলেই দাবি সরকারের।
সৌর ও পারমাণবিক শক্তির প্রসার (Narendra Modi)
প্রধানমন্ত্রী জানান, শুধু প্রচলিত জ্বালানি নয়, বিকল্প শক্তির উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শক্তি ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে দেশ এই পদক্ষেপগুলি ভবিষ্যতে জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
আরও পড়ুন: Meteorit Explosion: উড়ন্ত অবস্থাতেই বিস্ফোরণ, উল্কার বিস্ফোরণে তোলপাড় আকাশ!
৪১ দেশের উপর নির্ভরতা
সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে আমদানির ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। বর্তমানে ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করছে ভারত। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের মধ্য দিয়েও (যেমন হরমুজ প্রণালি) একাধিক জাহাজ নিরাপদে পৌঁছেছে, যা সরবরাহ বজায় রাখতে সহায়ক হয়েছে।



