Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিহারের রোহতাস জেলায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক-এ ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে (National Highway)। এই রাস্তা দিল্লি থেকে কলকাতাকে সংযুক্ত করে, অর্থাৎ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ধমনী। পরিস্থিতি এমন যে যানজট ছড়িয়ে পড়েছে ঔরঙ্গাবাদ পর্যন্ত, যা রোহতাস থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরে।

ভারী বৃষ্টি ও রাস্তার বিপর্যয় (National Highway)
খবর সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রোহতাস জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পর থেকেই বিপত্তির সূত্রপাত। বৃষ্টির জেরে মূল রাস্তা, সার্ভিস লেন ও ডাইভারশন ভেসে যায়, তৈরি হয় বড় বড় গর্ত। জল জমে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন।
ট্রাকচালকদের দুর্দশা (National Highway)
সূত্রে জানা গিয়েছে, চার দিন ধরে হাজার হাজার ট্রাক ও গাড়ি ওই পথে আটকে রয়েছে। পথচলতি চালকেরা জানাচ্ছেন, মাত্র কয়েক কিলোমিটার পথ পার করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে। একজন চালক বলেন, “২৪ ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটারও যেতে পারছি না। কোনও আধিকারিক দেখা যাচ্ছে না, সাহায্যও নেই।” অন্য এক চালক জানিয়েছেন, “দু’দিন ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। জল নেই, খাবার নেই। অবস্থা অত্যন্ত খারাপ।”
খাদ্যপণ্যের ক্ষতি (National Highway)
পচনশীল খাদ্যপণ্য যেমন ফল, সবজি, মাছ, দুধ ইত্যাদি নিয়ে যাওয়া ট্রাকগুলি পড়েছে সবচেয়ে বড় সমস্যায়। খবর সূত্রে জানা গেছে, রোদে ও জ্যামে দাঁড়িয়ে থেকে অনেক খাদ্যপণ্য ইতিমধ্যেই পচে গেছে। ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংস্থাগুলি।
সাধারণ মানুষ ও অ্যাম্বুল্যান্সও আটকে (National Highway)
এই যানজটে শুধু ট্রাক নয়, আটকে পড়েছে অ্যাম্বুল্যান্স, যাত্রীবাহী বাস ও ছোট গাড়িও। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রোগী পরিবহনে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছে। চালকেরা জানান, দিনের পর দিন চা-বিস্কুট খেয়েই কাটাতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Mount Everest: নেপাল নয়, ভারত থেকেই দেখা গেল মাউন্ট এভারেস্ট কীভাবে সম্ভব?
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
খবর সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা রোড কনস্ট্রাকশন সংস্থাগুলি এখনও পর্যন্ত কোনও তৎপরতা দেখায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকেও রাস্তায় গর্ত মেরামত, বিকল্প রুট বা জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে যাত্রী ও ট্রাকচালকদের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।



