Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তিতে বড় সংযোজন। আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় পারমাণবিক ব্যালিস্টিক মিসাইলবাহী সাবমেরিন (SSBN) যুক্ত হল নৌবাহিনীতে(Navy SSBN)। শুক্রবার বিশাখাপত্তনমে কমিশন করা হয়েছে INS অরিধামান। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই সাফল্যকে উল্লেখ করে বলেন, “কথা নয়, শক্তিই আসল অরিধামান!”
সামনের সারিতে ভারত (Navy SSBN)
বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশের তালিকায় সামিল হল ভারত যাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম সাবমেরিন রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চিন। পাশাপাশি, ভারতের রয়েছে ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ অর্থাৎ স্থল, আকাশ ও সমুদ্র তিন মাধ্যম থেকেই পারমাণবিক হামলার ক্ষমতা।
প্রথম SSBN INS অরিহন্ত
ভারতের প্রথম SSBN ছিল INS অরিহন্ত, যা ২০০৯ সালে জলে নামানো হয় এবং ২০১৬ সালে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এরপর আসে INS অরিঘাত। এই সাবমেরিনগুলো অ্যাডভান্সড টেকনোলজি ভেসেল (ATV) প্রকল্পের অংশ, যা ১৯৮০-এর দশকে শুরু হয়। রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশীয়ভাবে এগুলি তৈরি করা হয়েছে।
উন্নততর প্রযুক্তির অরিথামান
নতুন সংযোজন INS অরিধামান আগের তুলনায় আরও উন্নত। প্রায় ৭,০০০ টন ওজনের এই সাবমেরিনে রয়েছে বেশি সংখ্যক মিসাইল লঞ্চ টিউব, ফলে এটি একসঙ্গে বেশি K-15 ও K-4 ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। উন্নত সোনার, স্টেলথ প্রযুক্তি এবং কম শব্দ করার ক্ষমতা একে আরও শক্তিশালী করেছে।
শক্তিশালী সাবমেরিন কার কাছে কত (Navy SSBN)
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে আমেরিকার রয়েছে ১৪টি SSBN, যা সবচেয়ে বেশি। রাশিয়ার রয়েছে প্রায় ১৩-১৪টি। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ‘Continuous At-Sea Deterrence (CASD)’ নীতি অনুসরণ করে যেখানে সবসময় অন্তত একটি পারমাণবিক সাবমেরিন সমুদ্রে টহলে থাকে।
আরও পড়ুন: Gulf Job: যুদ্ধ না জীবিকা: গালফে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও কেন কাজ বেছে নিচ্ছেন ভারতীয়রা
‘No First Use’ (Navy SSBN)
ভারতের নীতি ‘No First Use’ এবং ‘Credible Minimum Deterrence’-এর ওপর ভিত্তি করে। INS অরিধামানের অন্তর্ভুক্তি ভারতের সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও মজবুত করল।



