Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অষ্টম শ্রেণির এনসিইআরটি পাঠ্যবই থেকে “বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি” সংক্রান্ত অংশ সরিয়ে ফেলা হবে বলে বুধবার উচ্চপর্যায়ের সরকারি সূত্রে জানা গেছে(NCERT Text)। সূত্রের দাবি, এই অংশটি “লেখা উচিত হয়নি” এবং এ ধরনের বিষয় তুলে ধরা “উপযুক্ত নয়”; বরং শিক্ষার্থীদের জন্য “অনুপ্রেরণামূলক বিষয়” থাকা উচিত ছিল।
বর্তমান প্রধান বিচারপতির অসন্তোষ (NCERT Text)
বইটিতে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের একটি মন্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তিনি বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অসদাচরণের ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, এতে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুন্ন হয়। বইয়ে তাঁর বক্তব্যের অংশ হিসেবে লেখা ছিল আস্থা পুনর্গঠনের পথ হল দ্রুত, দৃঢ় ও স্বচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণ; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা গণতন্ত্রের মূল মূল্যবোধ। তবে সরকারি সূত্রের মতে, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির বক্তব্য উদ্ধৃত করা “ঠিক নয়” এবং বর্তমান প্রধান বিচারপতিও এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সুপ্রিম কোর্টের গভীর উদ্বেগ (NCERT Text)
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টও “গভীর উদ্বেগ” জানিয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, আদালত প্রতিষ্ঠানকে “কলঙ্কিত” করতে দেবে না এবং প্রয়োজনে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা (সু মটো) নেওয়া হতে পারে। প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র বিচারব্যবস্থার দুর্নীতির কথা কেন, রাজনীতিবিদ বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির প্রসঙ্গ কোথায়?
আরও পড়ুন: Primary Case: প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা: বিধানসভা ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে রায় চ্যালেঞ্জ
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জটিল (NCERT Text)
আইন মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারকদের বিরুদ্ধে ৭,৫২৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে। সংশোধিত অধ্যায়ে আদালতের কাঠামো ও ন্যায়বিচারের পাশাপাশি দুর্নীতি, মামলার জট এবং অভ্যন্তরীণ জবাবদিহির ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ ছিল। তবে আইনজীবীদের একাংশের মতে, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের আলোচনা বিষয়টিকে জটিল করে তুলতে পারে।



