Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আচমকা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। যা নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে। কি কারনে এই পদত্যাগ তার কারণ খুঁজছেন শাসক দল থেকে বিরোধী, সকলে। এই পরিস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতির শূন্যপদে নির্বাচন(Vice Presidential Election) চলে চলেছে ৯ সেপ্টেম্বর, জানাল নির্বাচন কমিশন।
রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন ধনখড়(Vice Presidential Election)
সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন ধনখড়। কারণ হিসেবে তিনি ‘স্বাস্থ্যজনিত’ সমস্যার কথা উল্লেখ করলেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। যেহেতু রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন, তাই বর্তমানে ওই দায়িত্ব সাময়িকভাবে পালন করছেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। ২০২২ সালের অগস্টে দেশের উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৭ সালের অগস্ট পর্যন্ত মেয়াদ ছিল। কিন্তু শেষ হওয়ার আগেই ইস্তফা দিয়ে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে নজির গড়লেন তিনি। এর আগে ভিভি গিরি ও আর ভেঙ্কটরমন পদত্যাগ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য।
উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ৯ সেপ্টেম্বর(Vice Presidential Election)
ভারতের সংবিধানের ৬৮(২) ধারা অনুযায়ী, যদি উপ-রাষ্ট্রপতির পদ মৃত্যুর কারণে, পদত্যাগজনিত বা অন্য কোনও কারণে শূন্য হয়ে যায়, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন করে পদে কাউকে বসাতে হয়। সেই অনুযায়ী, শুক্রবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর হবে ভোট(Vice Presidential Election) । নির্বাচনে অংশ নেবে সংসদের দুই কক্ষ, লোকসভা ও রাজ্যসভার মোট ৭৮৮ জন সদস্য। একক স্থানান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে গোপন ব্যালটে হবে এই নির্বাচন।
মনোনয়নে লাগবে কতগুলি সমর্থন?
যে কোনও ব্যক্তি উপরাষ্ট্রপতি পদে লড়তে পারবেন, যদি তিনি ভারতীয় নাগরিক হন, বয়স ৩৫ বছরের বেশি হয় এবং রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার যোগ্য হন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়ে লাগবে ২০ জন প্রস্তাবক এবং ২০ জন সমর্থকের স্বাক্ষর। সঙ্গে জমা দিতে হবে ১৫ হাজার টাকা জামানত এবং সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকার প্রত্যয়ন। নয়াদিল্লির সংসদ ভবনের একটি নির্ধারিত কক্ষেই হয় উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন(Vice Presidential Election)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো এখানে ভোটের ‘ভ্যালু’ আলাদা না, প্রতিটি ভোটের মূল্য সমান। ভোটের দিনেই সাধারণত গণনাও হয়ে যায়। এবারও তাই হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ ৯ সেপ্টেম্বরই জানা যাবে, দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতিকে।
আরও পড়ুন: LPG Price Hike: মাসের শুরুতেই কমল গ্যাসের দাম, পকেটে খানিকটা স্বস্তি!
কে হতে পারেন পরবর্তী উপ-রাষ্ট্রপতি?
পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক পরামর্শ এবং জোট-রাজনীতির জটিল সমীকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে শাসক ও বিরোধী শিবির। কে হবেন পরবর্তী উপ-রাষ্ট্রপতি, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে আলোচনা। তবে প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগে সংবিধান মেনে পালন করতে হবে একাধিক নিয়মকানুন।


