Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়। ভোটের মুখে নির্বাচন কমিশনের রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পঞ্চায়েত সচিব, আইপিএস, আইএএস, বিডিও, আইসি, ওসি সহ আমলা-আধিকারিকদের বদলির সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশের আবেদন করে আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট(Officer Transfer Case)।
স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ (Officer Transfer Case)
ভোটের মুখে নির্বাচন কমিশনের রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পঞ্চায়েত সচিব সহ আইপিএস, আইএএস, আমলাদের বদলির সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশের আবেদন করে আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিডিও, আইসি এবং ওসি সহ ২৬৭ জনকে বদল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলাটিও খারিজ করে দিল আদালত।
কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়
কমিশনের সিদ্ধান্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ দুটি মামলাই খারিজ করে দিয়েছে। ফলে আমলা, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল থাকল।
আমলাদের বদলি নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা
গত সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানিতে মুখ্যসচিব, তিন মাস হল দায়িত্ব নেওয়া কলকাতার সিপি, পঞ্চায়েত দফতরের সচিব, পুলিশ কর্তা জাভেদ শামিমকে সরিয়ে দেওয়ার পিছনে কী কারণ সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কার কথাও শোনা যায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে।
কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন
সওয়ালে কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ মিনা নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত নন, অথচ তাঁকে অন্য রাজ্যে তামিলনাড়ুতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত সমস্যা দেখেন মুখ্যসচিব। তাঁকে পর্যন্ত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশন কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হবে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে? নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরই অফিসারদের কেন অপসারণ করা হচ্ছে? কী এমন হল? পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আর কোনও রাজ্যে এরকম ঘটনা ঘটেনি।’
কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন এজির (Officer Transfer Case)
অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তও কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সওয়ালে এজি বলেন, ‘কমিশনের দুটো কাজ। এক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা এবং দুই, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সংগঠিত করা। ভোটার তালিকা প্রস্তুত নিয়ে কমিশনের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট।বিচারকদের উপর দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। নির্বাচনের কাজে যুক্ত নন, এমন আধিকারিকদের অপসারণ করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা কমিশনকে কি দেওয়া হয়েছে?’
আরও পড়ুন: Masood Brother Death: জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ভাইয়ের মৃত্যু: জানা যায়নি মৃত্যুর কারণ
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পদক্ষেপ (Officer Transfer Case)
জবাবে কমিশনের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘কমিশনের অবাধ ক্ষমতা নেই, এটা ঠিক। কোনও সাংবিধানিক সংস্থার প্রচুর ক্ষমতা থাকে না। তবে কোনও কিছু পরিচালনার জন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা রয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এর পিছনে অনেক যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে।’



